আবাসন সংবাদ
গুলশানে সম্পত্তি বিক্রেতা বেড়েছে, ক্রেতা কম
দুই হাজার ৪৩০ বর্গফুট আয়তনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে সম্পত্তি কেনাবেচার ওয়েবসাইট বিপ্রপার্টিডটকমে। অ্যাপার্টমেন্টটির অবস্থান রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায়। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে একাধিক আলোকচিত্র। বিক্রেতা অ্যাপার্টমেন্টটিকে ‘নান্দনিক’ হিসেবে উল্লেখ করে দাম হাঁকিয়েছেন ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিজ্ঞাপন প্রকাশের কয়েকদিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আগ্রহীই যোগাযোগ করেননি।
রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ৪ হাজার ৪৮৩ বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির বিজ্ঞাপন বিপ্রপার্টির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকদিন আগে। ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা মূল্যের এ সম্পত্তিরও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার খোঁজ পাননি বিক্রেতা। ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট, আবাসিক প্লট, দোকানসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা বিক্রির এমন ৫০টি বিজ্ঞাপন রয়েছে বিপ্রপার্টির ওয়েবসাইটে। কিন্তু ক্রেতাদের সাড়া মিলছে না তেমন। বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছে। বেচাকেনা ৪০-৫০ শতাংশ কমে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
নতুনের পাশাপাশি পুরনো জিনিসপত্র ও সম্পত্তি বেচাকেনার অনলাইন প্লাটফর্ম বিক্রয় ডটকম। গত ১১ আগস্টের পর প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে গুলশান এলাকার ৯৬টি ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্টের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের প্রপার্টি বাজারে বেশ ‘স্ট্রাগল’ করতে হচ্ছে বলে বিক্রয় ডটকমের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আবাসন খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন অনেক বিক্রেতা রয়েছেন, যারা ওয়েবসাইটে কিংবা গণমাধ্যমে সম্পত্তির বিজ্ঞাপন দিতে চান না। গোপনে বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে তারা নিজেদের সম্পদ বিক্রি করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানে এ ধরনের বিক্রেতা বেড়ে গেছে। অথচ কয়েক মাস আগেও বিপুল অর্থ ছড়িয়েও অভিজাত এ এলাকায় সম্পত্তি পাওয়া যেত না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গুলশানে ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট, আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্লট, দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনার মালিকদের একটি বড় অংশই আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক, ব্যবসায়ীসহ প্রভাবশালী ব্যক্তি। সরকার পতনের পর তাদের অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে নিজেদের সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাই গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় ক্রেতার চেয়ে এখন বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি। কেবল গুলশান নয়; অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারাসহ ঢাকার বেশির ভাগ এলাকায় সম্পত্তির বাজারে মন্দা ভাব বিরাজ করছে বর্তমানে।
ক্রেতার তুলনায় বিক্রেতা বেড়ে যাওয়ায় বিপ্রপার্টির ওয়েবসাইটে বেচাকেনা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক খান তানজীল আহমেদ বলেন, ‘বেচাকেনা অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। সম্পত্তির অবস্থান, সুযোগ-সুবিধা, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের প্লাটফর্মে সম্পত্তি কেনাবেচা অন্তত ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।’
বসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে বরাবরই দেশের বিত্তবান ও প্রভাবশালীদের পছন্দের শীর্ষে থাকে গুলশান। রাজধানীতে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হাতে গোনা দু-একটি এলাকার অন্যতম এটি। কূটনৈতিক পাড়া হিসেবে এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাজধানীর অন্যান্য এলাকার চেয়ে অনেক উন্নত। নাগরিক সুযোগ-সুবিধাও অনেক বেশি। বিপুলসংখ্যক ধনীর বসবাস, অভিজাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অত্যাধুনিক হাসপাতালের উপস্থিতি গুলশানকে প্রতিষ্ঠিত করেছে দেশের সবচেয়ে কুলীন এলাকা হিসেবে।
গুলশানে ফ্ল্যাট কিংবা জমির দামও ঢাকার অন্যান্য এলাকার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। কলাবাগান, শান্তিনগর, শ্যামলীর মতো এলাকায় যেখানে প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাটের দাম পড়ে ৭-১০ হাজার টাকা, সেখানে গুলশানে কিনতে হয় ১৫-২০ হাজার কিংবা তারও বেশি টাকায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব এলাকার ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্টের ব্যয় লন্ডন-দুবাই-নিউইয়র্কের অভিজাত এলাকাগুলোর বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের মূল্যকেও ছাড়িয়ে গেছে। ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্টের মতো গুলশানে জমির দামও বেশি। এখানে বর্তমানে প্রতি কাঠা জমি ২ থেকে ৩ কোটি টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে তার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা।
বর্তমানে ‘প্রপার্টি’র বাজারে সবাই ক্রেতার জন্য স্ট্রাগল করছে বলে জানিয়েছেন বিক্রয় ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঈশিতা শারমিন। তিনি বলেন, ‘প্রপার্টি গ্রাহক এখন তুলনামূলকভাবে কম। সবাই স্ট্রাগল করছেন। তবে প্রপার্টি মার্কেট বছরের শুরু থেকেই স্ট্রাগল করছিল। এখন ভালো সময় হওয়ার কথা থাকলেও ঈদের পরপরই রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে মার্কেটে সে রকমভাবে আর সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।’
বর্তমানে তুলনামূলক ছোট প্রকল্পের ক্ষেত্রে রেসপন্স ভালো পাওয়া যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘যে প্রপার্টিগুলোর দাম তুলনামূলক কম, এমন ডেভেলপারের আহ্বানে সাড়া ভালো পাওয়া যাচ্ছে। সেকেন্ড হ্যান্ড প্রপার্টির দাম সব সময়ই কিছুটা কম থাকে, সেখানেও আমাদের সাইটে অনেক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে মার্কেট এখন ডাউন। আর প্রপার্টির বর্তমান দাম মধ্যবিত্তদের ক্রয়সীমার মধ্যে নেই।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনেক সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক, ব্যবসায়ীসহ প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে গুলশান এলাকায় সম্পত্তি কিনেছেন। ৫ আগস্ট-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে তাদের বেশির ভাগই আত্মগোপনে চলে গেছেন। অনেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। আওয়ামী সুবিধাভোগী ব্যক্তিরাই এখন সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টায় রয়েছেন, যা গুলশান এলাকায় সম্পত্তি বিক্রেতার সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখছে।
অনেকের ক্ষেত্রে প্রপার্টি এখন যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলীনুর রহমান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ক্রেতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। যার ক্রয়ক্ষমতা আছে তিনিও চিন্তা করছেন, এখন প্রপার্টি কিনে আবার কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে কিনা। মানুষের জীবনযাত্রার মানে বড় ধরনের একটা বিপর্যয় এসেছে। সাম্প্রতিক পরিবর্তনে লাইফ স্টাইল বদলে গেছে। সবাই চিন্তা করছে, আগে সারভাইভ করি, তারপর প্রপার্টি।’
আবাসন সংবাদ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।
জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।
আবাসন সংবাদ
রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে রাজশাহীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান মিনু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন মিজানুর রহমান মিনুসহ ২৫ জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।
মঙ্গলবার বিকেলে পিআইডির আয়োজনে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরপরই আনন্দে ফেটে পড়েন সাধারণ জনতা। দলমত নির্বিশেষে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রাজশাহী থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করবেন।’
মন্ত্রী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মিনু ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও দখলদাররা যে দলেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবারও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা করার প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।’
মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়ে টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিনু। ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন। রাজশাহীতে বিএনপির রাজনীতিতে মিনুর অভিভাবকত্ব প্রায় আড়াই দশকের। যুবদল নেতা থাকাকালে মেয়র এবং পরবর্তীকালে দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনের পর সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ পান তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে (তৎকালীন রাজশাহী-১ আসন) এমরান আলী সরকার জয়ী হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ6 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
আইন-কানুন5 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
-
আবাসন সংবাদ6 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
