এডিটরস পিকগৃহসজ্জা টিপস

গরমে গৃহসজ্জায় যে পরিবর্তন আনলে মিলবে স্বস্তি

Share
Share

তাপমাত্রা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তীব্র দাবদাহে বাইরে বেরোলেই হাঁসফাঁস অবস্থা। তাই খুব প্রয়োজন না থাকলে বাইরে বেরোতে মন চায় না।

তবে বাইরের উষ্ণতার আঁচ যেন বাড়িতে না পড়ে, সে দিকেও তো খেয়াল রাখতে হবে। ঘর ঠান্ডা রাখতে হলে কিন্তু বুদ্ধি করে অন্দরসজ্জায় সামান্য বদল করতে হবে।

মরসুম ভেদে অন্দরসজ্জাতেও আনতে হবে বদল। গরমের দিনে কীভাবে গৃহসজ্জা করবেন, জেনে নিন কয়েকটি উপায়।

১) গরমে সবার আগে ঘরের পর্দাগুলি বদলে ফেলতে হবে। মোটা কাপড়ের পর্দা নয়, গরমের দিনে পর্দার কাপড় হতে হবে একেবারে ফুরফুরে। এই সময়ে হালকা রঙের সুতির পর্দা এবং তার সঙ্গে মানানসই সাদা নেটের পর্দা দিয়েই ঘর সাজাতে পারেন। অথবা ফুলেল প্রিন্টের পর্দা রাখতে পারেন পছন্দের তালিকায়। তবে দিনের বেলা জানলা বন্ধ করে রাখাই ভাল।

২) গ্রীষ্মের মেজাজের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা হালকা রঙের চাদর, কুশনের ঢাকা, বালিশের ঢাকা কিনতে পারেন। হালকা গোলাপি, কমলা, আকাশি নীল কিংবা সাদার উপর হালকা নকশা করা কোনও জিনিস বেশ মানাবে। এ ছাড়া বাটিক কিংবা বাগরু প্রিন্টের চাদর বিছানায় পাততে পারেন।

৩) গ্রীষ্মের মরসুমে বাড়িতে বেশি করে গাছ লাগানো যায়। চোখের আরাম হবে। আর অন্দরে রাখার মতো গাছ বেশ কয়েকটি রাখলে ঘরও ঠান্ডা থাকবে। এই সময়ে অন্দরসজ্জায় নানা রকমের ফুলের ব্যবহার করতে পারেন। জারবেরা, লিলির মতো ফুল দিয়ে সাজিয়ে ফেলতে পারেন ঘর, এতে ঘরে রঙিন ছোঁয়া বাড়বে। এ ছাড়া জুঁই, বেল, রজনীগন্ধার মতো ফুল দিয়ে ঘর সাজালে সুবাস ছড়িয়ে যাবে ঘরে। গন্ধের জন্য বিভিন্ন রকম এসেনশিয়াল অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।

৪) টেবিল হোক বা সোফা, গরমে ব্যবহার করুন সুতির ঢাকা, ক্রুশের ঢাকা কিংবা উজ্জ্বল রঙের চাদর। ঘরে হাওয়া খেলবে। আসবাবপত্রের জন্য যেন জানলাগুলি ঢেকে না যায়, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। সন্ধ্যাবেলা জানলা খুললেই যেন ফুরফুরে হাওয়া আসতে পারে, সে দিকটাও দেখতে হবে। দেওয়ালের সাজেও রঙিন ছবি, ওয়াল হ্যাঙ্গিং ব্যবহার করতে পারেন।

৫) মেঝের কার্পেটটিও এ বার গুটিয়ে রাখতে পারেন। তার বদলে মাদুর কিনতে পারেন। মাটিতে বিছিয়ে দিন সেটি। ঘর হালকা দেখাবে। ভিতরে ঢুকলে মনও ফুরফুরে হবে।

Share

Don't Miss

সীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প

বাংলাদেশের আবাসন খাতে আবারও বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে সীমান্ত রিয়েল এস্টেট লিমিটেড-এর বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি নামে দুটি প্রকল্পের...

ডম-ইনো এফেক্ট: ফ্ল্যাট ক্রেতারা প্রতারিত, প্রকল্পগুলো পরিত্যক্ত

এক সময় রাজধানীর আবাসনখাতে পরিচিত নাম ছিল ডম-ইনো প্রপার্টিজ লিমিটেড। আধুনিক আবাসন নির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে তারা প্রায় দুই দশক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় প্রকল্প চালু...

Related Articles

আবাসন খাতের উন্নয়নে নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ

দীর্ঘদিন ধরে আবাসন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আবাসন ব্যবসায় মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ...

১৪ বছরের সংগ্রামের পর রিহ্যাবে নির্বাচন: এক অসহনীয় আন্দোলন

দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে নির্বাচনহীন অবস্থায় ছিল দেশের অন্যতম প্রভাবশালী আবাসন ব্যবসায়ীদের...

রিহ্যাব নির্বাচনে ‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ থেকে লড়ছেন এম. ফখরুল ইসলাম

রিহ্যাব নির্বাচন ২০২৬-২৮ এর পরিচালক পদে ‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ থেকে লড়ছেন...

রিহ্যাব নির্বাচন : প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদের প্যানেল ও ইশতেহার ঘোষণা

রিহ্যাব নির্বাচনে প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদের ২৯ সদস্যের পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা ও...

<