অর্থ ও বাণিজ্যএডিটরস পিক

বেক্সিমকোর ২,৬২৫ কোটি টাকার বন্ডের অনুমোদন, বিনিয়োগ হবে আবাসন প্রকল্পে

Share
Share

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেডের ২ হাজার ৬২৫ কোটি টাকার বন্ডের অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আজ রোববার অনুষ্ঠিত বিএসইসির কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, বেক্সিমকো অরূপান্তরযোগ্য জিরো কুপন বন্ড ছেড়ে আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি সংগ্রহ করবে। এ বন্ড বিক্রি করা হবে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণির উচ্চ সম্পদশালীদের কাছে। এ বন্ডের প্রতি লটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। বন্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ ব্যাংকঋণ পরিশোধের পাশাপাশি গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে।

এর আগে ১০ মার্চ বেক্সিমকোর পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রথমবারের মতো জিরো কুপন বন্ড ইস্যুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোম্পানিটির পর্ষদ সভার সিদ্ধান্তের এক মাসের মধ্যেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এ বন্ডের অনুমোদন দেয়। বিএসইসি জানিয়েছে, এ বন্ডের কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে না। বন্ডটি শেয়ারবাজারে লেনদেনও করা যাবে না। এই বন্ডের ডিসকাউন্ট বার্ষিক ১৫ শতাংশ।

বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছিল, বন্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থের একটি অংশ খরচ করা হবে শ্রীপুর টাউনশিপ কোম্পানির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে করা ‘মায়ানগর’ আবাসন প্রকল্পে। প্রকল্পটি নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশে প্রায় ১০০ একর জায়গায় অবস্থিত। এই প্রকল্পে ১৮ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট থাকবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, বিনোদন, খেলাধুলাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধার পাশাপাশি থাকবে ৫০ লাখ বর্গফুটের বাণিজ্যিক জায়গা। যেখানে সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট, হোটেল, অফিস, কনভেনশন সেন্টার ও শপিং মল করার পরিকল্পনা রয়েছে কোম্পানিটির।

মায়ানগর প্রকল্পের মোট জমির ৭৫ শতাংশ বেক্সিমকো লিমিটেড ও ২৫ শতাংশ শ্রীপুর টাউনশিপ লিমিটেডের মালিকানাধীন। জমির এই হিস্যা অনুযায়ী মুনাফা ভাগাভাগি হবে বলে বেক্সিমকো জানিয়েছে।

Share

Don't Miss

দলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়

যেকোনো দলিল লিখতে হয় আইনে বলে দেওয়া নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে। বিশেষ করে সাফকবলা, হেবা বা দানপত্র দলিল, বায়না দলিল, আমমোক্তার দলিলসহ অন্যান্য জমিজমাসংক্রান্ত...

সীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প

বাংলাদেশের আবাসন খাতে আবারও বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে সীমান্ত রিয়েল এস্টেট লিমিটেড-এর বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি নামে দুটি প্রকল্পের...

Related Articles

আবাসন খাতের উন্নয়নে নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ

দীর্ঘদিন ধরে আবাসন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আবাসন ব্যবসায় মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ...

১৪ বছরের সংগ্রামের পর রিহ্যাবে নির্বাচন: এক অসহনীয় আন্দোলন

দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে নির্বাচনহীন অবস্থায় ছিল দেশের অন্যতম প্রভাবশালী আবাসন ব্যবসায়ীদের...

রিহ্যাব নির্বাচনে ‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ থেকে লড়ছেন এম. ফখরুল ইসলাম

রিহ্যাব নির্বাচন ২০২৬-২৮ এর পরিচালক পদে ‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ থেকে লড়ছেন...

রিহ্যাব নির্বাচন : প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদের প্যানেল ও ইশতেহার ঘোষণা

রিহ্যাব নির্বাচনে প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদের ২৯ সদস্যের পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা ও...

<