অর্থ ও বাণিজ্যপ্রধান প্রতিবেদন

যুক্তরাজ্যের আবাসন খাতে আগ্রহী সৌদির অধিকাংশ বিনিয়োগকারী

Share
যুক্তরাজ্যের আবাসন খাতে আগ্রহী সৌদির অধিকাংশ বিনিয়োগকারী
ছবি: সংগৃহীত
Share

আবাসন বা রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় যুক্তরাজ্যের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। এ খাতের আকর্ষণীয় সুবিধার জন্য বর্তমানে সৌদি আরবের ৭৩ শতাংশ বিনিয়োগকারী বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে বৈশ্বিক পর্যায়ে বিনিয়োগের অন্যতম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের পরিচয় আরো মজবুত হচ্ছে। সম্প্রতি এক গবেষণার মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি বছর বিভিন্ন প্রকল্পে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) বিনিয়োগে ৩২০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মূলত ক্রয়ক্ষমতা বেড়ে যাওয়া বিনিয়োগ বাড়াতে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। এ কারণে সৌদি আরবের অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় বাজার হচ্ছে যুক্তরাজ্য।

দেশটির অন্যতম প্রোপার্টি ডেভেলপার ও বিনিয়োগ সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিলেক্ট প্রপার্টি এ জরিপ পরিচালনা করেছে। গবেষণায় বলা হয়, বিদেশিদের বিনিয়োগ প্রাপ্তির দিক থেকে যুক্তরাজ্যের সম্ভাবনার বিষয়টি বুঝতে পেরেছে জিসিসি। এ কারণে বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে।

এক বিবৃতিতে সিলেক্ট প্রোপার্টি জানায়, গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের আবাসন খাতে জিসিসির বার্ষিক বিনিয়োগ ৩৪০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান চাহিদা, বিনিয়োগের প্রেক্ষিতে মুনাফা লাভসহ বেশ কিছু বিষয় প্রকাশ পেয়েছে।

সিলেক্ট প্রোপার্টির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যাডাম প্রাইস জানান, সৌদি আরবের ৭৫ শতাংশ বিনিয়োগকারীর পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার ও বার্মিংহামের মতো শহর। তাদের মতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগের দিক থেকে এ দুটি শহর শীর্ষে রয়েছে। জরিপের তথ্যানুযায়ী, এ দুটি শহরে প্রোপার্টির দাম ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

অ্যাডাম প্রাইস বলেন, ‘ক্রমবর্ধমানভাবে জিসিসির বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাজ্যকে বিনিয়োগের অন্যতম হাব হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।’ অন্যদিকে ৬৫ শতাংশ বিনিয়োগকারী তাদের পছন্দের বিনিয়োগ কৌশল হিসেবে রিয়েল এস্টেট খাতকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সূত্র: অ্যারাবিয়ান বিজনেস

Share

Don't Miss

সীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প

বাংলাদেশের আবাসন খাতে আবারও বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে সীমান্ত রিয়েল এস্টেট লিমিটেড-এর বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি নামে দুটি প্রকল্পের...

ডম-ইনো এফেক্ট: ফ্ল্যাট ক্রেতারা প্রতারিত, প্রকল্পগুলো পরিত্যক্ত

এক সময় রাজধানীর আবাসনখাতে পরিচিত নাম ছিল ডম-ইনো প্রপার্টিজ লিমিটেড। আধুনিক আবাসন নির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে তারা প্রায় দুই দশক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় প্রকল্প চালু...

Related Articles

জিডিপিতে রিয়েল এস্টেট ও নির্মাণ খাতের অবদান ১৮ শতাংশ: রিহ্যাব

‘কিছু বড় চ্যালেঞ্জ এর কথাও তুলে ধরেন: নির্মাণ খাতে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি,...

কেনাকাটার আভিজাত্য এখন আর সীমিত নেই গুলশান-বনানী এলাকায়

ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মার্কেটে যখন উপচে পড়া ভিড়, তখন...

কোম্পানি পর্যায়ে আয়কর রিটার্নের সময় এক মাস বাড়ল

কোম্পানি পর্যায়ে আয়কর রির্টান দাখিলের সময় আরও এক মাস বাড়লো। নতুন সময়...

আয়কর রিটার্নের শেষ দিন ৩১ মার্চ, অনলাইন আবেদনে মিলবে আরও ৯০ দিন

ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৩১ মার্চ।...

<