আবাসন সংবাদএডিটরস পিকবিবিধ

যেসব খাতে বিনিয়োগ করলে মিলবে আয়করে ছাড়

Share
যেসব খাতে বিনিয়োগ করলে মিলবে আয়করে ছাড়
ছবি: সংগৃহীত
Share

আগামী ৩০ জুন চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষ হচ্ছে। তাই এখনই একটু চিন্তাভাবনা করা উচিত। কারণ, একটু কৌশলী হলেই আপনি করের বোঝা কমাতে পারবেন। সারা বছরের আয় থেকে অর্থবছরের শেষ দিকে এসে কোথাও বিনিয়োগ করুন। দেখবেন, আপনার কর কমে গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে এমন কিছু খাত ঘোষণা করা আছে, যেখানে বিনিয়োগ করলে অনেক টাকা করছাড় বা কর রেয়াত পাবেন। ব্যক্তিশ্রেণির সাধারণ করদাতাদের জন্য সঞ্চয়পত্র কিংবা মাসিক সঞ্চয় বা পেনশন স্কিম বা ডিপিএস করা হলো কর কমানোর অন্যতম সহজ কৌশল। সঞ্চয়পত্রে সুদ বেশি হওয়ায় তুলনামূলক আপনি বেশি মুনাফা পাবেন, আবার করছাড়ও পাবেন।

খাতগুলো কী
এনবিআর করছাড় নেওয়ার জন্য ৯টি খাত ঠিক করে দিয়েছে। তার একটি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ। এর বাইরে আরও আটটি খাত আছে। এগুলো হলো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চার ক্রয়; জীবনবিমার প্রিমিয়াম; সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ভবিষ্য তহবিলের চাঁদা;

স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাঁদা; কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠীবিমার তহবিলে চাঁদা; সরকার অনুমোদিত ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ এবং সুপার অ্যানুয়েশন ফান্ডে চাঁদা। আর ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় করলেও কর রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে। ডিপিএসের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকার ওপর এই করছাড় দেওয়া আছে।

দান করলেও আছে করছাড়
নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ, দান করেও করছাড় সুবিধা নেওয়া যায়। অনেকেই বিভিন্ন খাতে দান করেন। একটু ভেবেচিন্তে দান করলে তার বিপরীতে নিজের কর কমিয়ে ফেলতে পারবেন। সরকার ১৩টি খাতে দান করলে করছাড় সুবিধা দেয়। এগুলো হলো জাতির জনকের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান; জাকাত তহবিল; জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনুমোদিত দাতব্য হাসপাতাল;

প্রতিদ্বন্দ্বীদের কল্যাণে স্থাপিত প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর; আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক; আহছানিয়া ক্যানসার হাসপাতাল; ঢাকা আহছানিয়া মিশন ক্যানসার হাসপাতাল; এশিয়াটিক সোসাইটি; আইসিডিডিআরবি; সিআরপি; মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান এবং সরকার অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

Share

Don't Miss

সীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প

বাংলাদেশের আবাসন খাতে আবারও বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে সীমান্ত রিয়েল এস্টেট লিমিটেড-এর বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি নামে দুটি প্রকল্পের...

ডম-ইনো এফেক্ট: ফ্ল্যাট ক্রেতারা প্রতারিত, প্রকল্পগুলো পরিত্যক্ত

এক সময় রাজধানীর আবাসনখাতে পরিচিত নাম ছিল ডম-ইনো প্রপার্টিজ লিমিটেড। আধুনিক আবাসন নির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে তারা প্রায় দুই দশক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় প্রকল্প চালু...

Related Articles

জিডিপিতে রিয়েল এস্টেট ও নির্মাণ খাতের অবদান ১৮ শতাংশ: রিহ্যাব

‘কিছু বড় চ্যালেঞ্জ এর কথাও তুলে ধরেন: নির্মাণ খাতে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি,...

আবাসন খাতের উন্নয়নে নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ

দীর্ঘদিন ধরে আবাসন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আবাসন ব্যবসায় মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ...

১৪ বছরের সংগ্রামের পর রিহ্যাবে নির্বাচন: এক অসহনীয় আন্দোলন

দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে নির্বাচনহীন অবস্থায় ছিল দেশের অন্যতম প্রভাবশালী আবাসন ব্যবসায়ীদের...

রিহ্যাব নির্বাচনে ‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ থেকে লড়ছেন এম. ফখরুল ইসলাম

রিহ্যাব নির্বাচন ২০২৬-২৮ এর পরিচালক পদে ‘প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ’ থেকে লড়ছেন...

<