আবাসন সংবাদ
রিহ্যাবের আবাসন মেলায় ফ্ল্যাটের ছড়াছড়ি, এক ছাদের নীচেই মিলছে ঋণও
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে (বিআইসিসি) শুরু হয়েছে আবাসন খাতের সবচেয়ে বড় মেলা ‘রিহ্যাব ফেয়ার-২০২৪’। গতকাল সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) জমকালো আয়োজনে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। এবারের মেলায় অংশ নিয়েছে ২২০টি স্টল, যেখানে উপস্থিত রয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় আবাসন কোম্পানি, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, নির্মাণসামগ্রী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান।
বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো মেলা উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ে ফ্ল্যাট বুকিং দিচ্ছে এবং একই সঙ্গে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দিচ্ছে বিশেষ গৃহঋণের সুবিধা।
একাধিক স্টল এবং দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মিরপুর, মোহাম্মদপুর এবং আফতাবনগর এলাকার ফ্ল্যাটের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। ছোট থেকে মাঝারি আকারের ফ্ল্যাট, বিশেষত ১১০০ থেকে ১৫০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাটের চাহিদা তুলনামূলক বেশি।
রকিবুল নামে একজন ব্যবসায়ী এসেছিলেন উত্তরা থেকে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহী। মিরপুর বা আশপাশের এলাকা তাঁর পছন্দের। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মেট্রোরেল চলাচলের কারণে এখান থেকে যাতায়াত তুলনামূলক সহজ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এলিফ্যান্ট রোড এলাকা থেকে এসেছেন। পেশায় তিনি ব্যাংক কর্মকর্তা। তিনি জানান, মোহাম্মদপুর এলাকায় ছোট আকারের ফ্ল্যাট কিনতে চান তিনি। ব্যাংক থেকে বিশেষ ঋণ সুবিধায় তিনি এটি কিনবেন বলেও জানান।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়, ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রিহ্যাবের এটি ২৬ তম আয়োজন। ক্রেতাদের সাড়া এখন পর্যন্ত তুলনামূলক খুব একটা বেশি নয়। তবে আগামীকাল, ২৫ ডিসেম্বর এবং ২৭ ডিসেম্বর ছুটির দিনগুলোতে ভিড় বাড়বে বলে আশা করেন তাঁরা।
রিহ্যাব ফেয়ার-২০২৪ চলবে আগামী ২৭ ডিসেম্বর,শুক্রবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে। দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ৫০ টাকা।
ফ্ল্যাটের খোঁজখবর
র্যাংগস প্রোপার্টিজ ১৫টি আবাসন ও ১০টি বাণিজ্যিক প্রকল্প নিয়ে এসেছে মেলায়। ধানমন্ডি, বসুন্ধরা, বনানী, মিরপুর, উত্তরা ও লালমাটিয়ায় তাদের ১ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার ৭০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রতি বর্গফুটের দাম ১০ হাজার থেকে ২৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে মিরপুর, ধানমন্ডি, গুলশান ও উত্তরায় তাদের প্রতি বর্গফুট বাণিজ্যিক স্পেস বা জায়গার দাম ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
রিহ্যাবের পাঁচ দিনব্যাপী আবাসন মেলায় র্যাংগসের স্টল। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে
রিহ্যাবের পাঁচ দিনব্যাপী আবাসন মেলায় র্যাংগসের স্টল। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রেছবি: প্রথম আলো
র্যাংগস প্রোপার্টিজের সহকারী মহাব্যবস্থাপক কে এম স্বপ্নিক মাহমুদ বলেন, মেলায় বুকিং দিলে ক্রেতারা মূল্যছাড় পাবেন। অধিকাংশ ক্রেতা পরিস্থিতি বুঝতে চাইছেন। বর্তমানে কেবল নিজেদের বসবাসের জন্য কমবেশি এক কোটি টাকা দামের ফ্ল্যাটের চাহিদা আছে।
শীর্ষস্থানীয় আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেক মেলায় ৫০টি আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প নিয়ে এসেছে। রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন, উত্তরা, বনানী, বসুন্ধরা, আদাবর, মগবাজার, মালিবাগ, মধ্য বাড্ডা, কাঁঠালবাগান, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া ও ইস্কাটনে প্রকল্পগুলো গড়ে উঠছে। এসব প্রকল্পে ৯৭১ থেকে ২ হাজার ৮০১ হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রতি বর্গফুটের দাম ৯ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২৮ হাজার ৯০০ টাকা।
শেলটেকের নির্বাহী পরিচালক মো. শরীফ হোসেন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘কয়েক মাস ধরেই বেচাবিক্রিতে স্থবিরতা চলছে। আশা করছি, রিহ্যাব মেলার মাধ্যমে ফ্ল্যাটের বেচাবিক্রি বাড়বে।’ তিনি জানান, মেলায় ফ্ল্যাটের বুকিং দিলে শেলটেক সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যছাড় দেবে১১০ উদীয়মান প্রতিষ্ঠান ক্রিডেন্স হাউজিং ৫৪টি আবাসন প্রকল্পের ফ্ল্যাট নিয়ে এসেছে। ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, কলাবাগান, সিদ্ধেশ্বরী, উত্তরা, হুমায়ুন রোড, বেইলি রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে তোলা এসব প্রকল্পে ১ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট আছে।
ক্রিডেন্সের চিফ ডিজাইন কো-অর্ডিনেটর মেহেদি হাসান বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আমলা ও ঠিকাদাররা ফ্ল্যাট কিনছে না। তাঁরাই নতুন প্রকল্পে বেশি বিনিয়োগ করতেন। বর্তমানে চিকিৎসক ও প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবীরা ফ্ল্যাট কিনছেন।
শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ট্রপিক্যাল হোমস ২৫টি আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প নিয়ে এসেছে। তাদের আবাসিক প্রকল্পগুলোয় অ্যাপার্টমেন্টের সংখ্যা ৫৪০। এর মধ্যে ২০০টি বিক্রয়যোগ্য। তবে প্রতিষ্ঠানটির স্টলে থাকা ৪৫ তলা বাণিজ্যিক ভবনের নকশা সবার নজর কাড়ছে। মালিবাগে ৪৬ কাঠা জমির ওপর ভবনটি গড়ে তুলছে প্রতিষ্ঠানটি।
রিহ্যাবের পাঁচ দিনব্যাপী আবাসন মেলায় ট্রপিক্যাল হোমসের স্টল। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে
রিহ্যাবের পাঁচ দিনব্যাপী আবাসন মেলায় ট্রপিক্যাল হোমসের স্টল। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রেছবি: প্রথম আলো
ট্রপিক্যাল হোমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ রবিউল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘৪৫ তলা ভবনটি দেশের সবচেয়ে উঁচু ভবন হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে এটির নির্মাণকাজ শেষ হবে। এটি আমাদের স্বপ্নের প্রকল্প।’ ট্রপিক্যাল হোমস ভবিষ্যতে ১০০ তলা ভবন করতে চায় বলেও জানান তিনি।
আবাসন সংবাদ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।
জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।
আবাসন সংবাদ
রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে রাজশাহীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান মিনু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন মিজানুর রহমান মিনুসহ ২৫ জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।
মঙ্গলবার বিকেলে পিআইডির আয়োজনে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরপরই আনন্দে ফেটে পড়েন সাধারণ জনতা। দলমত নির্বিশেষে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রাজশাহী থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করবেন।’
মন্ত্রী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মিনু ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও দখলদাররা যে দলেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবারও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা করার প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।’
মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়ে টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিনু। ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন। রাজশাহীতে বিএনপির রাজনীতিতে মিনুর অভিভাবকত্ব প্রায় আড়াই দশকের। যুবদল নেতা থাকাকালে মেয়র এবং পরবর্তীকালে দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনের পর সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ পান তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে (তৎকালীন রাজশাহী-১ আসন) এমরান আলী সরকার জয়ী হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ5 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন5 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
-
আবাসন সংবাদ5 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
