আবাসন সংবাদপ্রধান প্রতিবেদন

প্রধানমন্ত্রী আমাকে একটা মিশনে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন

Share
‘ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত দপ্তর/সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ’ সভায় প্রধান অতিথি ভূমিমন্ত্রী
Share

ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিতের মিশনে প্রধানমন্ত্রী আমাকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করে এই মিশন পূরণ করতে আমি দৃঢ়ভাবে সংকল্পবদ্ধ। আমার বিশ্বাস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে এ মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী যা চাচ্ছেন তা পূরণ করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ভূমি ভবনের কেন্দ্রীয় সেমিনার হলে আয়োজিত ‘ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত দপ্তর/সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ’ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সবার বেতন জনগণের ট্যাক্সের টাকা থেকে আসে, বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন- বিত্তশালী এবং বিত্তহীন সব নাগরিকই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ট্যাক্স দেন। চাকরি করে নাগরিক সেবা দেওয়ার কর্তব্য যথাযথভাবে পালন না করার অর্থ হচ্ছে চাকরির উপার্জন হালাল না হওয়া।

মানুষকে যথাযথ ভূমিসেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাভুক্ত দপ্তর এবং সংস্থায় কর্মরত গণকর্মচারীদের উদ্দেশে ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, আপনাদের প্রতি আমি আপিল (অনুরোধ) করছি, জনকল্যাণে যথাযথ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করুন। একইসঙ্গে সতর্কও করছি যেন এর ব্যত্যয় না হয়।

মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, এ বিষয়ে বিশ্বের কেউ দ্বিমত পোষণ করে না। দারিদ্র্য বিমোচন, নারী অধিকার নিশ্চিতকরণ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিল্প ও খনিজ সম্পদ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং সর্বোপরি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে ভূমি প্রয়োজন। এজন্য টেকসই, জবাবদিহিতামূলক ও জনবান্ধব ভূমি সংস্কার বাস্তবায়ন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অংশ।

ভূমি সচিব মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবহিতকরণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম শামিমুল হক, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সবুর মন্ডল, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ।

ভূমি আপিল বোর্ড, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব)- আজ এই চারটি দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে ভূমিমন্ত্রীকে সচিত্র ব্রিফ করেন।

Share

Don't Miss

রিহ্যাব নির্বাচন : আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের প্যানেল ঘোষণা

আবাসন খাতের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউসিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে ২৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে ‘আবাসন...

নেভানোর চেয়ে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানোই কার্যকর পদক্ষেপ

দেশ ও মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকা—এটাই যাদের কাজ, সেই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। সপ্তাহে সাত দিনই...

Related Articles

অ্যাগ্রো ট্যুরিজমের আড়ালে এমএলএম ফাঁদ, শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় কৃষি পর্যটন বা ‘অ্যাগ্রো ট্যুরিজম’ প্রকল্পের নামে আন্তর্জাতিক মানের...

আবাসন খাত উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিহ্যাবের ৬ প্রস্তাব

দেশের আবাসন খাতের উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সাধারণ মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে...

স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে রিহ্যাব ও এভারকেয়ার হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা

আবাসন খাতের উদ্যোক্তা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের জন্য আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা আরও...

আবাসন খাতের বড় আয়োজন রিহ্যাব সামার ফেয়ার ১২-১৫ আগস্ট, স্টল বুকিং শুরু

দেশের আবাসন খাতকে আরও গতিশীল করা, আবাসন প্রতিষ্ঠান, নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক...

<