অর্থ ও বাণিজ্য
পর্যটকসংকটে কুয়াকাটা সৈকতে হোটেল-মোটেল ফাঁকা, ব্যবসায় ধস
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে সারা বছরই কমবেশি পর্যটকের আনাগোনা থাকে। এতে পর্যটন–সংশ্লিষ্ট ব্যবসা চাঙা থাকে। তবে গত কিছুদিন সৈকতটিতে পর্যটন ব্যবসায় ধস নেমেছে। পর্যটকের উপস্থিতি একেবারেই কমে গেছে; খালি পড়ে আছে হোটেল-মোটেল। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘাতের প্রভাব পড়েছে; স্থবির হয়েছে পড়েছে পর্যটন ব্যবসা।
সোমবার সকালে সরেজমিন দেখা যায়, কুয়াকাটা সৈকতের এখানে সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ভ্রাম্যমাণ দোকানের আসবাব। সৈকত এলাকার পূর্ব পাশে মাছ ভাজার দোকানগুলো গুটিয়ে নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একই অবস্থা কুয়াকাটার শুঁটকি মার্কেট, শামুক-ঝিনুকের দোকানদার, রাখাইন মহিলা মার্কেটের। বন্ধ আছে রেস্তোরাঁগুলোও।
সেলিম মিয়া নামের খাবার হোটেলের এক মালিক বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে আমরা অলস সময় পার করছি। কোনো পর্যটক নেই. যার ফলে বেচাকেনাও নেই। এ মাসে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।’
লোকসানের আশঙ্কা করছেন কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টের শামুক-ঝিনুকের দোকানদার আবু সালেহও। তিনি বলেন, ‘এ মৌসুমে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হয়। তিন থেকে চার দিন হয়ে গেল একজন ক্রেতারও মুখ দেখিনি। শুধু দোকান খুলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে আবার বন্ধ করে রাখছি। এই হইলো এখন আমাগো কাজ।’
জেলার পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কুয়াকাটায় ১৫০টির বেশি আবাসিক হোটেল-মোটেল আছে। প্রতিটি হোটেলই এখন ফাঁকা পড়ে আছে। পর্যটকদের আনাগোনা কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব হোটেল-মোটেলের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। বেশির ভাগ হোটেলেই পর্যটক নেই। এমন অবস্থায় হোটেলগুলোর দেখভালের খরচ তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা।
হোটেল সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলার সহকারী ব্যবস্থাপক শাহীন আলম বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিটি ভিলা খালি পড়ে আছে। ১৬তলা টাওয়ার ভবন এবং রিসোর্টের মূল ভবনের কক্ষগুলোও খালি। আমাদের হোটেলের প্রতি মাসের বিদ্যুৎ বিলই দিতে হয় ২৪ থেকে ২৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে; প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা বেতন দিতে হয়। এর বাইরে আরও ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ রয়েছে। চলমান পরিস্থিতির কারণে এ মাসে আমরা বিরাট লোকসানে পড়ে গেলাম।’
হোটেল কানসাই ইনের ব্যবস্থাপক জুয়েল ফরাজী বলেন, কারফিউর কারণে হোটেলটিতে ১৫ জন পর্যটক আটকে পড়েছিল। সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাঁরা নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন। এখন পুরো হোটেলের রুম ফাঁকা পড়ে আছে। চিরচেনা কুয়াকাটা আবার কবে নাগাদ স্বগৌরবে ফিরবে, সেটা এখনই বলা মুশকিল।
পর্যটন খাতের আরও বেশ কিছু ব্যবসায় পর্যটকের অভাবে ধস নেমেছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষদের অবস্থা বেশি খারাপ। এর মধ্যে আছেন চা-পানের দোকানদার, সৈকতের ছাতা-বেঞ্চ ব্যবসায়ী, শুঁটকি বিক্রেতা, ফটোগ্রাফার, ডাব-বাদাম বিক্রেতা, মোটরসাইকেলচালক, রিকশা-ভ্যানের চালকসহ আরও কিছু পেশার মানুষ।
সৈকত এলাকাসহ আকর্ষণীয় স্পটে পর্যটকদের ছবি তোলার কাজ করেন আলমাস মিয়া নামের একজন। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন আমার এক-দেড় হাজার টাকা আয় হইতো। পর্যটক না থাকায় অ্যাহন আমি পুরাই বেকার হইয়া পড়ছি। মাস গেলেই বাড়ির ভাড়া দিতে হইবে হেই চিন্তা, এ ছাড়া প্রতি মাসের সংসারের খরচ তো আছেই। ক্যামনে যে কী করমু, হেইয়া কইতে পারি না।’
পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, জুলাই মাসের শুরু থেকে কুয়াকাটায় পর্যটকের আনাগোনা ভালোই ছিল। বেচাকেনাও মোটামুটি ভালো ছিল। ঢাকাসহ সারা দেশের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় অনেকেই কুয়াকাটা ছেড়ে চলে যান। ২২ জুলাই পর্যন্ত কুয়াকাটাতে দেড় শতাধিক পর্যটক ছিলেন।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, ‘করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই একের পর এক ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসে কয়েক বছর ধরেই কুয়াকাটায় পর্যটননির্ভর বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণেও আমরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কুয়াকাটায় যাঁরা বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের প্রত্যেকেরই কমবেশি ব্যাংকঋণ আছে। প্রতি মাসে ব্যাংকের কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। তার ওপর নানান খরচ তো আছেই। এত এত খরচ মিটিয়ে আমরা ব্যবসায়ীরা আর টিকে থাকতে পারছি না। চলমান পরিস্থিতির কারণে পর্যটননির্ভর ২০টি খাতে আমাদের অন্তত ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, জুলাই মাসের শুরু থেকে কুয়াকাটায় পর্যটকের আনাগোনা ভালোই ছিল। বেচাকেনাও মোটামুটি ভালো ছিল। ঢাকাসহ সারা দেশের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় অনেকেই কুয়াকাটা ছেড়ে চলে যান। ২২ জুলাই পর্যন্ত কুয়াকাটাতে দেড় শতাধিক পর্যটক ছিলেন।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, ‘করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই একের পর এক ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসে কয়েক বছর ধরেই কুয়াকাটায় পর্যটননির্ভর বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণেও আমরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কুয়াকাটায় যাঁরা বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের প্রত্যেকেরই কমবেশি ব্যাংকঋণ আছে। প্রতি মাসে ব্যাংকের কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। তার ওপর নানান খরচ তো আছেই। এত এত খরচ মিটিয়ে আমরা ব্যবসায়ীরা আর টিকে থাকতে পারছি না। চলমান পরিস্থিতির কারণে পর্যটননির্ভর ২০টি খাতে আমাদের অন্তত ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
অর্থ ও বাণিজ্য
দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট জগতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত: এক দশকেরও কম সময়ে কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মাত্র ৩৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির। নান্দনিক শহর দুবাইয়ের অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক আবাসন (রিয়েল এস্টেট) খাতে তিনি শুধু নিজের অবস্থানই তৈরি করেননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশটির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম এমজে প্রপার্টিজ (MJ Properties)।
এমজে প্রপার্টিজ আকিবের নেতৃত্বে অল্প সময়েই দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এক উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছে। এই সাফল্যের মূল কারণ হলো গ্রাহকদের প্রতি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে মেধাবী তরুণ-তরুণীদের একটি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের লক্ষ্য দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করা।
আকিবের অঙ্গীকার: “সততা ও ন্যায়ের মাধ্যমে এমজে প্রপার্টিজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেন এই প্রতিষ্ঠান দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারে।”
একসময় আকিবের স্বপ্ন ছিল স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েই তিনি এখন এমজে প্রপার্টিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Founder & CEO)। তার কর্মজীবনের শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে—হজ, ওমরাহ ও টিকেটিং-এর কাজের মাধ্যমে। সেখানেই সততা ও কঠোর পরিশ্রমের হাত ধরে একজন সফল উদ্যোক্তা ও প্রকল্প উদ্ভাবক হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে ওঠে।
উদ্যোক্তা হিসেবে আকিবের বিশেষ গুণ হলো *বিনিয়োগের সঠিক ক্ষেত্র নির্ধারণ* করে ক্লায়েন্টদের জন্য *সর্বোচ্চ মুনাফা ও নিরাপদ রিটার্ন* নিশ্চিত করা। তিনি দুবাইয়ের আধুনিক স্থাপত্য ও সমৃদ্ধ জীবনযাত্রার মান বজায় রেখে নির্মিত উন্নতমানের আবাসন প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগের জন্য ক্লায়েন্টদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
ব্যক্তিগত জীবনে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আকিবকে। ছাত্রাবস্থায়, ২০১৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের, বিশেষত মায়ের, দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নেন। ট্রাভেল এজেন্সিতে কর্মরত থাকাকালে করোনাকালীন সময়ে ব্যবসায়িক ধস নামলে উন্নত জীবনের আশায় তিনি দুবাই পাড়ি জমান।
বর্তমানে তিনি রিয়েল এস্টেট ছাড়াও আরো কিছু প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার পুরো পরিবার নিয়ে দুবাইতেই বসবাস করছেন। সততা, কঠোর পরিশ্রম আর স্বপ্ন পূরণের অদম্য স্পৃহা আকিব মুনিরকে আজ তরুণ প্রজন্মের কাছে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আকিবের বাবা ছিলেন খুলনার বিশিষ্ট সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং খুলনার সুপরিচিত একটি পত্রিকার সম্পাদক—এডভোকেট কামরুল মুনির। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন খুলনার শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের একজন। ২০১৪ সালে তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের ভার নেমে আসে তরুণ আকিবের কাঁধে।
বাবার মৃত্যুর শোক সামলেই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি দিয়ে। সেখানেই ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক জগতে তাঁর হাতেখড়ি।
তবে ভাগ্যের পরিক্রমায় আসে করোনাকালীন সংকট। বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক ধস নেমে আসে, বন্ধ হয়ে যায় ট্রাভেল খাতের কার্যক্রমও। জীবনের কঠিন সময়ে হাল না ছেড়ে আকিব নতুন করে স্বপ্ন দেখেন—উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
অর্থ ও বাণিজ্য
ইস্টার্ন হাউজিংয়ের মুনাফা বেড়েছে ২১ কোটি টাকা
দেশের আবাসন খাতের কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিংয়ের মুনাফা সাড়ে ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি গত জুনে সমাপ্ত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ৭৭ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। তার আগের অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের মুনাফা ২১ কোটি টাকা বা সাড়ে ৩৭ শতাংশ বেড়েছে।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন হাউজিং গতকাল মঙ্গলবার তাদের পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত অর্থবছরের আর্থিক বিবরণী চূড়ান্ত করার মাধ্যমে মুনাফার এই হিসাব দিয়েছে। একই সভা থেকে কোম্পানিটি গত অর্থবছরের জন্য শেয়ারধারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তার আগের অর্থবছরে কোম্পানিটি ১৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। সেই হিসাবে গত অর্থবছরে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের মুনাফা ও লভ্যাংশ উভয়ই বেড়েছে।
কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে চূড়ান্ত করা মুনাফা ও লভ্যাংশের তথ্য আজ বুধবার স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোম্পানিটি জানিয়েছে, গত অর্থবছরের জন্য তারা শেয়ারধারীদের প্রতি শেয়ারের বিপরীতে আড়াই টাকা (২৫ শতাংশ) করে লভ্যাংশ দেবে। বর্তমানে শেয়ারধারীদের হাতে কোম্পানিটির যে শেয়ার রয়েছে তার বিপরীতে লভ্যাংশ বাবদ কোম্পানিটিকে ২৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বিতরণ করতে হবে। আগের অর্থবছরে (২০২৩–২৪) কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের ১৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। তাতে প্রতি শেয়ারের বিপরীতে একেকজন শেয়ারধারী ১ টাকা ৯০ পয়সা করে পেয়েছিলেন। ওই বছর ঘোষিত লভ্যাংশ বাবদ কোম্পানিটিকে বিতরণ করেছিল প্রায় ১৮ কোটি টাকা। সেই হিসাবে গত অর্থবছরের জন্য লভ্যাংশ বাবদ ৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করবে কোম্পানিটি। লভ্যাংশ বাবদ বাড়তি এই ব্যয়ের জোগান আসছে বাড়তি মুনাফা থেকে। কারণ, এক বছরে কোম্পানিটির মুনাফা ২১ কোটি টাকা বেড়েছে।
এদিকে মুনাফা ও লভ্যাংশ বৃদ্ধির খবরে আজ শেয়ারবাজারে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের দামও ঊর্ধ্বমুখী ছিল লেনদেনের শুরু থেকে। প্রথম দেড় ঘণ্টার লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ২ টাকা বা সোয়া ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকায়। এ সময় কোম্পানিটির ৮ লাখের বেশি শেয়ারের হাতবদল হয়, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ3 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন3 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আবাসন সংবাদ3 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
আবাসন সংবাদ3 months agoপ্রিমিয়াম হোল্ডিংয়ের বর্ষপূর্তিতে ৩ দিনব্যাপী একক আবাসন মেলা অনুষ্ঠিত
-
আবাসন সংবাদ11 months agoবন্ধ হচ্ছে অবৈধ আবাসন প্রকল্প
