Connect with us

আবাসন সংবাদ

সিমেন্ট ব্যবহারে বাড়িই হয়ে যাবে বিশাল ব্যাটারি!

সিমেন্ট ব্যবহারে বাড়িই হয়ে যাবে বিশাল ব্যাটারি!

নির্মাণশিল্পে সম্ভবত গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত উপাদান হল কংক্রিট। এখন দেখা যাচ্ছে খানিকটা এদিকসেদিক করে নিলে এই কংক্রিটই হয়ে উঠতে পারে বাড়িতে বিদ্যুৎ যোগানোয় সহায়ক।

এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত কেমব্রিজ শহরের এক পরীক্ষাগারে একগুচ্ছ পালিশ করা কালো রঙের কংক্রিটের সিলিন্ডারকে এক ধরনের তরলে স্নান করানো হয়েছে। আর তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন তার।

সাধারণ চোখে এর তেমন কোনো বৈশিষ্ট্য ধরা না পড়লেও পরবর্তীতে এমআইটি’র গবেষক ড্যামিয়ান স্টেফানিউক একটি সুইচে চাপ দেন। এর পর কংক্রিট ব্লকের সঙ্গে তারের মাধ্যমে একটি এলইডি বাল্ব যোগ করলে, তা সঙ্গে সঙ্গেই জ্বলে ওঠে।

প্রথমবার এলইডি বাল্ব জ্বলে ওঠার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্টেফানিউক বলেন, প্রথমে আমি এটা বিশ্বাস করিনি। আমি ভেবেছি, এলইডি বাল্বের সঙ্গে বিদ্যুৎসংযোগ সম্ভবত কোনো কারণে বিচ্ছিন্ন না করায় এটি জ্বলে ছিল। এই ঘটনা দিনাটিকেই অসাধারণ করে তোলে। আমরা শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকদেরকে এটা দেখার আমন্ত্রণ জানাই। প্রথমে তারাও বিশ্বাস করতে পারেননি যে, এটা কাজ করেছে।

এই আগ্রহের কারণ? তা হল, বিদ্যুৎ সঞ্চয়ের ভবিষ্যৎ প্রতিনিধি হিসেবে বড় সম্ভাবনা দেখাচ্ছে কংক্রিটের এই নিরীহ, কালো পিণ্ড। বেশিরভাগ নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের প্রতিশ্রুতি হল সীমাহীন পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ, যা মূলত সূর্য বা সমুদ্র থেকে আসবে। তবে, সূর্যের আলো সবসময় একই রকম থাকে না, বায়ু প্রবাহও সব সময় একই থাকে না এমনকি মেগাওয়াটের হিসাবে পানির বিভিন্ন উৎসও এতটা গভীর নয়। এমন শক্তির উৎস বিরতিহীন বিদ্যুৎ দিতে পারলেও এই বিদ্যুৎবুভুক্ষ আধুনিক বিশ্বের জন্য এই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের শর্ত পূরণ না করা একটি ঝুঁকি বটে।

Advertisement

এর মানে, বিদ্যুৎকে ব্যাটারির মধ্যে সঞ্চয় করতে হবে। তবে এটি লিথিয়ামের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর নির্ভরশীল। আর এই লিথিয়ামের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে কম। আর এটি গোটা বিশ্বের বিদ্যুৎ ও পরিবহন ব্যবস্থাকে কার্বন নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যপূরণে যথেষ্ট হবে কি না, সেটাও বড় এক প্রশ্ন। গোটা বিশ্বে লিথিয়ামের খনি আছে ১০১টি, যেখানে ব্যাটারির বাড়তে থাকা বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে এইসব খনির সক্ষমতা নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, লিথিয়াম মাইনিং করার সময় অনেক বিদ্যুৎ ও পানি খরচ হয়, যা নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস থেকে পরিবেশগত সুবিধা পাওয়ার শর্তটির একেবারে বিপরীত। আর এ প্রক্রিয়ায় লিথিয়াম বের করে আনার ক্ষেত্রে বিষাক্ত রাসয়নিকও ব্যবহার করা হয়, যা কখনও কখনও স্থানীয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গেও মিশে যেতে পারে।

লিথিয়ামের মজুদওয়ালা কয়েকটি নতুন জায়গার খোঁজ মিললেও, এর সরবরাহে সীমাবদ্ধতা, গোটা বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি খনির ওপর অতি নির্ভরতা ও এর পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে ব্যাটারির জন্য বিকল্প উপাদানও খোঁজা হচ্ছে।

আর এক্ষেত্রে যোগানদাতা হয়ে এসেছেন স্টেফানিউক ও তার কংক্রিটের ব্লক। তিনি ও তার এমআইটি’র সহকর্মীরা ‘সুপারক্যাপাসিটর’ নামে পরিচিত এনার্জি স্টোরেজ ডিভাইস তৈরির এমন উপায় খুঁজে পেয়েছেন, যা তিনটি মৌলিক, সাশ্রয়ী উপাদান অর্থাৎ পানি, সিমেন্ট ও ‘কার্বন ব্ল্যাক’ নামের পদার্থ দিয়েই বানানো যাবে।

সুপারক্যাপাসিটর বিদ্যুৎ সঞ্চয়ের খুবই কার্যকর এক উপায়, তবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এটি ব্যাটারি থেকে আলাদাভাবে কাজ করে। আর এগুলো লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির চেয়ে দ্রুত চার্জ হয়। আর এর কার্যকারিতার স্তরেও তেমন বিচ্যুতি ঘটে না। তবে, এগুলো থেকে বিদ্যুৎ খুব দ্রুত প্রবাহিত হওয়ায়, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির ক্ষেত্রে এটি কাজে আসে না, যেখানে দীর্ঘ সময়ের জন্য কিছুটা ধীরগতির বিদ্যুৎ প্রবাহ লাগে। তবে স্টেফানিউকের মতে, কার্বন-সিমেন্টের তৈরি সুপারক্যাপাসিটর বৈশ্বিক অর্থনীতিকে কার্বন নিরপেক্ষ করার প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Advertisement

তিনি বলেন, উৎপাদনের পরিসর বাড়ানো গেলে, এ প্রযুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক সমস্যার সমাধান দিতে পারে, তা হল নবায়নযোগ্য শক্তি সঞ্চয় করা। এজন্য তিনি ও তার সঙ্গে এমআইটি ও হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি’র ‘ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিকালি ইনস্পায়ার্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর গবেষকরা এমন সুপাক্যাপাসিটর তৈরির মতো বেশ কয়েকটি উপাদানের সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখেছেন।

এর একটি উপায় হতে পারে এমন রাস্তা তৈরি করা, যা সৌরশক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে ও পরবর্তীতে সে বিদ্যুৎ ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়া বিদ্যুচ্চালিত গাড়িকে তার ছাড়াই চার্জ দিতে পারবে। কার্বন-সিমেন্টের তৈরি সুপারক্যাপাসিটর থেকে দ্রুত প্রবাহিত হওয়া বিদ্যুতের সহায়তায় বিভিন্ন গাড়ির ব্যাটারি সঙ্গে সঙ্গেই পূর্ণ চার্জ হয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি হতে পারে। আরেকটি উপায় হতে পারে, বিভিন্ন বাড়ির ভিত্তিপ্রস্তরে বিদ্যুৎ সঞ্চয় করা।

স্টেফানিউক বলেন, এ ধরনের দেওয়াল, ভিত্তিপ্রস্তর বা কলাম শুধু ওই অবকাঠামোকেই সমর্থন করবে না, বরং এর মধ্যে বিদ্যুৎও সঞ্চয় করে রাখা যাবে। তবে এখনও ধারণাটি প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। আপাতত কংক্রিটের তৈরি সুপারক্যাপাসিটরে বিদ্যুৎ সঞ্চয় করা যায় প্রতি কিউবিক মিটারে তিনশ ওয়াট আওয়ারের একটু কম, যা ১০ ওয়াটের এলইডি বাল্বকে ৩০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ প্রবাহ দেওয়ার মতো যথেষ্ট। গোটা বিশ্বে মানুষের কার্যক্রম থেকে নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইডের পাঁচ থেকে আট শতাংশে ভূমিকা রাখে সিমেন্ট উৎপাদন শিল্প। সূত্র: বিডিনিউজ২৪।

আবাসন সংবাদ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।

জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

Advertisement

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।

Continue Reading

আবাসন সংবাদ

রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে রাজশাহীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান মিনু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন মিজানুর রহমান মিনুসহ ২৫ জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।

মঙ্গলবার বিকেলে পিআইডির আয়োজনে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরপরই আনন্দে ফেটে পড়েন সাধারণ জনতা। দলমত নির্বিশেষে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রাজশাহী থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করবেন।’

Advertisement

মন্ত্রী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মিনু ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও দখলদাররা যে দলেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবারও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা করার প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।’

মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়ে টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিনু। ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন। রাজশাহীতে বিএনপির রাজনীতিতে মিনুর অভিভাবকত্ব প্রায় আড়াই দশকের। যুবদল নেতা থাকাকালে মেয়র এবং পরবর্তীকালে দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনের পর সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ পান তিনি।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে (তৎকালীন রাজশাহী-১ আসন) এমরান আলী সরকার জয়ী হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

Advertisement
Continue Reading
Advertisement
Advertisement
আবাসন সংবাদ3 days ago

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও...

আবাসন সংবাদ3 days ago

রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক...

অর্থ ও বাণিজ্য1 month ago

প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা

দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০...

আবাসন সংবাদ2 months ago

৪ দিনব্যাপী আবাসন মেলা শুরু

রাজধানীতে চার দিনব্যাপী আবাসন মেলার আয়োজন করেছে রিয়েল এস্টেট হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গতকাল শুরু হওয়া এ মেলা চলবে...

আবাসন সংবাদ3 months ago

ভূমিকম্পে ঢাকার বড় বিপদ স্পষ্ট হচ্ছে

ভূমিকম্পে রাজধানী শহর ঢাকার বড় বিপদের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের নৈকট্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও প্রাণহানির ঝুঁকিকে বিবেচনায় নিয়ে...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত