আবাসন সংবাদ
বন্ধ হচ্ছে অবৈধ আবাসন প্রকল্প
বেশির ভাগ বেসরকারি আবাসন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনিয়ম ঠেকাতে সরকার একাধিক আইন করলেও তা প্রতিষ্ঠানগুলো খুব একটা আমলে নেয় না। এবার আবাসন খাতে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ঠেকাতে আইন প্রয়োগে শক্ত হচ্ছে সরকার। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ (জাগৃক) ইতিমধ্যে তালিকা করে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। সংস্থাটির সঙ্গে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও (রাজউক) অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রেখেছে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তসচিব মো. হামিদুর রহমান খান বলেন, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যারা জাগৃক ও রাজউক থেকে প্রকল্প অনুমোদন করেনি, তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইন অনুযায়ী তাদের (আবাসন প্রতিষ্ঠান) অবশ্যই পৃথক প্রকল্পের জন্য অনুমোদন নিতে হবে।
জাগৃক সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ ডিসেম্বর জাগৃকের নির্বাহী প্রকৌশলী (মিরপুর গৃহসংস্থান বিভাগ-২) কাওসার মোর্শেদ পূর্ত মন্ত্রণালয়ে দেওয়া চিঠিতে আইন মেনে ব্যবসা না করার জন্য ১১টি আবাসন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড, পুষ্পধারা প্রোপার্টিজ লিমিটেড, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ, স্বপ্নধরা অ্যাসেটস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, প্রিয়প্রাঙ্গণ, ঠিকানা প্রোপার্টিজ অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেড, জন্মভূমি সিটি, প্রিমিয়াম হাউজিং এস্টেট লিমিটেড, ধরিত্রী প্রোপার্টিজ লিমিটেড, মডার্ন এশিয়া প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রাইভেট) লিমিটেড এবং নিমতলা হাউজিং লিমিটেড। একই সংস্থার নির্বাহী প্রকৌশলী (ঢাকা ডিভিশন-১) মো. কায়সার ইবনে সাঈখ একই দিনে মন্ত্রণালয়ে পৃথক আরেকটি চিঠি দেন। সেখানে তিনি রূপগঞ্জ এলাকার ভাইয়া হাউজিং লিমিটেড, প্রাইম অ্যাসেট লিমিটেড, সাভারের সুগন্ধা প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্ট লি., চলন্তিকা হাউজিং, স্বপ্নভূমি আবাসন এবং মেগা বিল্ডার্সের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাগৃকের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ আবদুল্লাহ নূর বলেন, ‘আবাসন ব্যবসা করতে হলে সংশ্লিষ্ট আইনে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হলেও বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান তা মানছে না। তাই বাধ্য হয়ে এখন আইনি ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে। গত দুই দিনে আমরা বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়াসহ নানা ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি।’
গত দুই দিনে এ প্রকৌশলীর কাজের আওতাভুক্ত এলাকায় যেসব আবাসিক প্লট, ফ্ল্যাট ও ভূমি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সেগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে আইন পল্লী, পূর্বাচল প্রাইম সিটি, সুবর্ণ ভূমি হাউজিং লিমিটেডকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকৌশলী জানান, এসব রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান জাগৃক থেকে কোনো প্রকল্প অনুমোদন করেনি। এগুলোর মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠানকে জাগৃক থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে, তাদের নিবন্ধন বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যেই সুপারিশ করা হয়েছে। নিবন্ধিত ও নিবন্ধনহীন উভয় ধরনের কোম্পানির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের কাজ প্রক্রিয়াধীন। সে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে।
জাগৃকের কর্মকর্তারা বলেন, সরকার এখন বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪ (সংশোধিত ২০১২ ও ২০১৫), রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে। এ আইন অনুযায়ী, কোনো ডেভেলপার যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করলে কিংবা অননুমোদিত রিয়েল এস্টেট প্রকল্পের বিজ্ঞাপন প্রচার বা বিক্রয় করলে অনূর্ধ্ব দুই বছর কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
এ ছাড়া পরিবেশ রক্ষায় প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ লঙ্ঘনকারী কার্যক্রম বন্ধ করতেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একযোগে কাজ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে শতাধিক বেসরকারি আবাসন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে নানা ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।
রাজউক সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন ধরে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। কোথাও রাজউক সরাসরি নিজে, আবার কোথাও সরকারি অন্য সংস্থার সহযোগিতায় ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। এর মধ্যে ওয়েস্টার্ন সিটি, ঢাকা মডার্ন সিটি লিমিটেড, সাফা মাওয়া গ্রুপ, সবুজছায়া গ্রুপ, অ্যাপোলো হাউজিং লিমিটেড, সাউথ টাউন, বিডিসি লিমিটেড, আটি মডেল টাউন, জেনোভ্যালী মডেল টাউন প্রাইভেট লি., মধু সিটি, আরশিনগর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, নতুনধারা হাউজিং কোম্পানি লিমিটেড, আইকাব হাউজিং কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড, হীরাঝিল প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রাইভেট) কোম্পানি লিমিটেড, সবুজছায়া আবাসন প্রজেক্ট লিমিটেড, গ্লোরিয়াস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লি:, গ্রিন সিটি লিমিটেডকে নোটিশ দেওয়া হলেও বেশির ভাগই তা আমলে নেয়নি। যারা এখনো নিয়ম মেনে ব্যবসা চালাচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে রাজউক ও জাগৃক।
রাজউকের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সিদ্দিকুর রহমান সরকার এ বিষয়ে বলেন, ‘বুধবার (গতকাল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজউক তুরাগ নদের পশ্চিম পাশে উত্তর কাউন্দিয়া ও বেড়িবাঁধের রাস্তায় অবৈধ আবাসন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। অনেকেই চিহ্নিত জলাশয় ও কৃষিজমি ভরাট করে আবাসন ব্যবসা করে যাচ্ছে। সেগুলো আর আমরা করতে দেব না। এ ছাড়া অনুমোদনহীন সব আবাসন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আবাসন সংবাদ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।
জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।
আবাসন সংবাদ
রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে রাজশাহীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান মিনু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন মিজানুর রহমান মিনুসহ ২৫ জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।
মঙ্গলবার বিকেলে পিআইডির আয়োজনে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরপরই আনন্দে ফেটে পড়েন সাধারণ জনতা। দলমত নির্বিশেষে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রাজশাহী থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করবেন।’
মন্ত্রী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মিনু ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও দখলদাররা যে দলেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবারও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা করার প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।’
মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়ে টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিনু। ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন। রাজশাহীতে বিএনপির রাজনীতিতে মিনুর অভিভাবকত্ব প্রায় আড়াই দশকের। যুবদল নেতা থাকাকালে মেয়র এবং পরবর্তীকালে দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনের পর সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ পান তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে (তৎকালীন রাজশাহী-১ আসন) এমরান আলী সরকার জয়ী হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ6 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
আইন-কানুন5 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
-
আবাসন সংবাদ6 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
