আবাসন সংবাদ
রাজউকের প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দে নতুন বিধিমালা
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ভূমি, প্লট, স্পেস ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে নতুন বিধিমালা জারি করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গত ২৫ এপ্রিল ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ভূমি, প্লট, স্পেস ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ) বিধিমালা, ২০২৪’ জারি করা হয়।
বিধিমালায় রাজউকের ভূমি বা আবাসিক প্লট, বাণিজ্যিক প্লট, বাণিজ্যিক স্পেস, শিল্প প্লট, প্রাতিষ্ঠানিক প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দের বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে এ বিষয়ে ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ল্যান্ড অ্যালোটমেন্ট) রুলস, ১৯৬৯’ ছিল। যেটি বাতিল করে নতুন বিধিমালা জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রাজউক পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা বা উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত কোনো প্রকল্পের ভূমি বা কোনো আবাসন প্রকল্পের অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানে চিহ্নিত ভূমি বা আবাসিক প্লট বরাদ্দ দিতে পারবে। প্লট বরাদ্দ দিতে জনসাধারণের কাছে আবেদন আহ্বান করে কমপক্ষে দুটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে।
ভূমি বা আবাসিক প্লটের বরাদ্দ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।
কোনো ব্যক্তি ভূমি বা আবাসিক প্লট বরাদ্দ পাওয়ার আবেদন করার অযোগ্য হবে না, যদি তিনি নিজ নামে বা তার স্ত্রী বা স্বামীর নামে ইতোপূর্বে কর্তৃপক্ষের কোনো ভূমি বা আবাসিক প্লট বরাদ্দ পেয়ে থাকেন। মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে কোনো আবেদন দাখিল করলে আবেদন বাতিল করতে হবে এবং তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হবে বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ভূমি বা আবাসিক প্লট অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করার পর যদি প্রমাণিত হয় যে, বরাদ্দ গ্রহীতা মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে প্লটের বরাদ্দ নিয়েছেন, তবে ওই বরাদ্দ ও হস্তান্তর বাতিল করতে হবে। এক্ষেত্রে মূল বরাদ্দ গ্রহীতা হস্তান্তর গ্রহীতাকে দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ দিবে।
প্লটের ধরন ও আকারভেদে ভূমি বা আবাসিক প্লটের সংখ্যা যোগ্য আবেদনকারীর তুলনায় কম হলে উন্মুক্ত লটারি ও তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে বরাদ্দ দিতে হবে।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী বা সমমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি, সংসদ-সদস্য, বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনী, আধা-সামরিক বাহিনী, সরকারি কর্মচারি, মুক্তিযোদ্ধা, পেশাজীবী, বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী (নিবাসী), সাংবাদিক, স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থার চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, বেসরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষক, শিল্পী, সাহিত্যিক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, আইন ও আইনগত দলিলাদি নিরীক্ষা কাজে নিয়োজিত সরকারি কর্মচারী, কৃষিবিদ, প্রকৌশলী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ, চিকিৎসক, মূল অধিবাসী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক আবাসিক প্লট সংরক্ষণ করা যাবে বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যে কোনো প্রকল্পের আবাসিক প্লটে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের জন্য ২ শতাংশ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর বা সংস্থার কর্মচারীদের জন্য ২ শতাংশ এবং কর্তৃপক্ষের কর্মচারীদের জন্য ২ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করা যাবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, রাজউক জনস্বার্থে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে আবাসিক প্লট বরাদ্দ দিতে পারবে- মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী বা সমমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি; সংসদ-সদস্য; বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সরাসরি সদস্য এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে বা কর্তৃপক্ষের আইন প্রণয়নবিষয়ক কাজে উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রেখেছেন এমন সরকারি কর্মচারী বা এমন কোনো পেশাজীবী যিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত না থেকেও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনসেবা বা জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বা করেছেন বা এমন কোনো ব্যক্তি যিনি জনগণ বা রাষ্ট্রের কল্যাণে বিশেষ অবদান রেখেছেন বা নিবেদিত প্রাণ কোনো সমাজকর্মী বা সমাজসেবক।
কোনো বরাদ্দ গ্রহীতা সাময়িক বরাদ্দ প্রাপ্তির পর যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রথম কিস্তির অর্থ যথাসময়ে পরিশোধ না করলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে বরাদ্দপত্র বাতিল করা যাবে।
ভূমি বা আবাসিক প্লট বরাদ্দ গ্রহীতাকে আবশ্যিকভাবে ইজারা দলিল রেজিস্ট্রেশন করার পর ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে সর্বোচ্চ চার বছরের মধ্যে বসবাস উপযোগী করে বাড়ি নির্মাণ করতে হবে। কেউ বাড়ি নির্মাণ করতে ব্যর্থ গহলে প্রতি বছর প্রতি কাঠার জন্য ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা দিতে হবে।
বাণিজ্যিক প্লট বা বাণিজ্যিক স্পেস, শিল্প প্লট, প্রাতিষ্ঠানিক প্লট, বরাদের আবেদন, বরাদ্দের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে বিধিমালায়।
ফ্ল্যাট বরাদ্দের বিষয়ে বিধিমালায় বলা হয়েছে, রাজউক কোনো আবাসিক প্রকল্পে অধিক সংখ্যক জনগণের আবাসন ব্যবস্থা করার জন্য উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যম ও স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য এক বা একাধিক এলাকা বা ব্লক আকারে ভবন নির্মাণ করে ফ্ল্যাট বরাদ্দ করতে পারবে।
কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যে কোনো প্রকল্পে নির্মিত ফ্ল্যাটের মোট সংখ্যার ১০ শতাংশ সরকারি কর্মচারীদের জন্য, ৩ শতাংশ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে বরাদ্দের জন্য, ৩ শতাংশ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বরাদ্দের জন্য এবং ২ শতাংশ কর্তৃপক্ষের কর্মচারীদের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।
বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফ্ল্যাটের ৫০ শতাংশ মূল্য কিস্তিতে পরিশোধের পর অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ মূল্য কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে পরবর্তী ১৫ বছরের কিস্তিতে বা কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে পারবে। কর্তৃপক্ষ আবাসিক ফ্ল্যাটের মূল্য নির্ধারণের জন্য এক বা একাধিক কমিটি গঠন করতে পারবে।
রাজউক নিম্ন-আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় চিহ্নিত এলাকায় বা কর্তৃপক্ষের কোনো আবাসন প্রকল্পের অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানে চিহ্নিত স্থানে ভবন নির্মাণ করে সাশ্রয়ী ভাড়া বা মূল্য পরিশোধের ভিত্তিতে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিতে পারবে বলে বিধিমালায় জানানো হয়েছে।
আবাসন সংবাদ
বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর নতুন দিগন্ত
আধুনিক বিশ্বে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার নিরাপত্তা, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সংহতকরণ এবং বিদ্যুৎ চাহিদার ক্রমবর্ধমান চাপ—সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ খাতে প্রযুক্তিগত রূপান্তর এখন সময়ের দাবি। এই প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির প্রয়োগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
এই রূপান্তরের অগ্রভাগে কাজ করছেন প্রকৌশলী মোঃ আল ইমরান। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে Siemens Industry, Inc.-এ টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান Siemens-এ তার কাজ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শিল্প ও গবেষণার অনন্য সমন্বয়
মোঃ আল ইমরান কেবল একজন দক্ষ প্রকৌশলী নন; তিনি বিদ্যুৎ খাতের একজন শীর্ষস্থানীয় গবেষকও। তার গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। নিজ ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বের শীর্ষ ০.০১% সাইটেশনপ্রাপ্ত গবেষকদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন, যা তার গবেষণার প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতার স্পষ্ট প্রমাণ।
সিমেন্সে তিনি যখন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনার পাওয়ার সিস্টেম ডিজাইন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, তখন তার প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে দীর্ঘদিনের গবেষণা, উন্নত বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
এআই-চালিত স্বয়ংক্রিয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা
ইমরানের গবেষণার একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে এআই এবং ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) ব্যবহার করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরও বুদ্ধিমান ও স্বয়ংক্রিয় করে তোলা।
১. নবায়নযোগ্য জ্বালানির স্মার্ট সংহতকরণ
এআই-ভিত্তিক সিমুলেশন মডেল ব্যবহার করে সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমন একটি সংহতকরণ সীমা নির্ধারণ করে, যেখানে সৌর ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে, অথচ কার্বন নিঃসরণ সর্বনিম্ন থাকে।
২. আইওটি-নির্ভর সৌর বিদ্যুৎ দক্ষতা
সৌর প্যানেলে স্থাপিত সেন্সর রিয়েল-টাইমে ধুলোবালি শনাক্ত করে। প্রয়োজন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিষ্কারের নির্দেশনা দেয় এবং সম্ভাব্য ত্রুটির আগাম পূর্বাভাস (Predictive Maintenance) প্রদান করে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দক্ষতা বজায় থাকে এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমে।
৩. বিল্ডিং-ইন্টিগ্রেটেড ফটোভোলটাইক্স (BIPV)
তার গবেষণায় ভবনের জানালা ও সম্মুখভাগকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী উপাদানে রূপান্তরের ধারণা বাস্তবায়িত হয়েছে। এআই-চালিত কন্ট্রোল সিস্টেম ভবনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভারসাম্য বজায় রাখে, যা ভবিষ্যতের স্মার্ট সিটির ভিত্তি গড়ে তুলছে।
উন্নত সিগন্যাল প্রসেসিং ও ফল্ট শনাক্তকরণ
পাওয়ার সিস্টেমে হাই ইমপিডেন্স ফল্ট (HIF) শনাক্তকরণ একটি জটিল ও চ্যালেঞ্জিং বিষয়। ইমরানের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ প্রবাহ (Current) ও চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Field) থেকে সংগৃহীত ডেটা বিশ্লেষণ করা হয়।
এক্ষেত্রে তিনি ডিসক্রিট ওয়েভলেট ট্রান্সফর্ম (DWT) ব্যবহার করেছেন, যা সিগন্যালকে বিভিন্ন স্তরে বিশ্লেষণ করে সূক্ষ্ম বিচ্যুতি বা ট্রানজিয়েন্ট শনাক্ত করতে সক্ষম। পাশাপাশি হিলবার্ট ট্রান্সফর্মের মাধ্যমে সিগন্যালের দশা ও বিস্তার বিশ্লেষণ করা হয়।
এই প্রযুক্তি কার্যত একটি ‘ডিজিটাল স্টেথোস্কোপ’-এর মতো কাজ করে—যা অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ অপচয় এবং সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
‘সেলফ-হিলিং’ গ্রিড: ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা
ইমরানের গবেষণার অন্যতম লক্ষ্য হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধন করতে সক্ষম ‘সেলফ-হিলিং’ গ্রিড তৈরি করা। এই প্রযুক্তি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অংশ বিচ্ছিন্ন করে বিকল্প লাইন সক্রিয় করতে পারে।
তার এই গবেষণালব্ধ জ্ঞান সিমেন্সের মাধ্যমে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হতে পারে।
প্রকৌশল দর্শন ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য
প্রকৌশলী মোঃ আল ইমরান বলেন: “প্রকৌশল মানে কেবল বর্তমান সমস্যার সমাধান নয়; এটি হলো নিরন্তর উদ্ভাবনের মাধ্যমে এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা যা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে। আমার লক্ষ্য হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে এমন এক পাওয়ার গ্রিড তৈরি করা যা হবে নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব।”
বিদ্যুৎ খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই প্রয়োগ কেবল প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়; এটি টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ জ্বালানি ব্যবস্থার ভিত্তি নির্মাণের এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আবাসন সংবাদ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।
জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ6 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন6 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
-
আবাসন সংবাদ6 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
