অর্থ ও বাণিজ্য
জমি বা ফ্ল্যাট কিনতে লোন আবেদনের আগে যে সকল বিষয় বিবেচনায় রাখা জরুরি
অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি অর্থের যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হয় নির্ভরতার। আর অর্থের এই বিনিয়োগ যদি হয় প্রপার্টি কেনায়, তবে যেন সতর্কতার বিষয়টি গুরুত্ব পায় সবচেয়ে বেশি। নিজের এবং পরিবারের ভবিষ্যতের ঠিকানা নিশ্চিত করতে জীবনের কোন না কোন সময় আমরা বাড়ি বানানো বা রেডি প্রপার্টি কেনার পরিকল্পনা করে থাকি। যেহেতু টাকার অংকের পরিমাণটা হয় অধিক, তাই দীর্ঘমেয়াদী এই বিনিয়োগের জন্য জমানো টাকার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় হোম লোন নেয়ার। তবে হোম লোনের জন্য আবেদনের আগে জানা জরুরি এমন বিষয় সমূহ নিয়ে যদি ধারণা না থাকে, তবে বাড়ি কেনার প্রক্রিয়াটি হতে পারে ঝামেলাপূর্ণ। এমনকি হোম লোনের জন্য আবেদন বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে সঠিক ধারণা না থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই হোম লোনের আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। আর তাই এসকল বিষয় সম্পর্কে আগেভাগেই যথাযথ তথ্য জেনে নেয়া জরুরি।
বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের হোম লোন নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্য থেকে আপনার জন্য কোন লোনটি হবে উপযুক্ত, সে সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা থাকলে আপনি সঠিক লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া আপনি যদি প্রথমবারের মতো হোম লোনের জন্য আবেদন করে থাকেন, তবে সুদের হার, ক্রেডিট স্কোর, বিভিন্ন ধরনের হোম লোন ফি, ডকুমেন্টেশন সহ ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা আগে থেকেই নিয়ে নিন।
তবে চলুন হোম লোনের জন্য আবেদনের আগে জানা জরুরি এমন বেশ কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কিছু ধারণা নেয়া যাক।
মাসিক কিস্তির পরিমাণ হিসাব করে নেয়া
হোম লোনের টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে একজন ঋণগ্রহীতাকে সমপরিমাণ মাসিক কিস্তিতে লোনের টাকা পরিশোধ করতে হয়। তবে এতে কোন ভিন্নতা আছে কিনা, বা এই লোন পরিশোধের জন্য কিস্তির পরিমাণ সম্পর্কে তাই হোম লোনের জন্য আবেদনের আগে জানা জরুরি। বাড়ি কেনার সময় আপনি যে ডাউন পেমেন্ট করছেন, এর উপর ভিত্তি করে ইএমআই বা মাসিক কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। আর তাই ডাউন পেমেন্ট যত কম হবে, বকেয়া টাকা পরিশোধের চাপ কমে গিয়ে, তা পরবর্তীতে ইএমআই -তে রূপান্তরিত হয়ে যাবে। তবে এক্ষেত্রে ইএমআই এর পরিমাণ একজন ঋণগ্রহীতার মোট আয়ের ৪৫ শতাংশের বেশি না হওয়াই উত্তম।
বাড়তি কোন চার্জ আছে কিনা জেনে নেয়া
হোম লোনের আবেদন করার ক্ষেত্রে ইএমআই এর অর্থ পরিশোধ করা ছাড়াও, অনেক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাড়তি অর্থ বা চার্জও কেটে থাকে। এ ধরনের লুকায়িত চার্জ সম্পর্কে আপনি যদি আগে থেকেই অবহিত না থাকেন, তবে লোন নেয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে বেশ বড় অংকের টাকা পরিশোধ করা লাগতে পারে। আর তাই লোন নেয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে জেনে নেয়া জরুরি লুকায়িত কোন চার্জ আছে কিনা, বা থাকলেও এর পরিমাণ কত, আপনাকে কত টাকা পরিশোধ করতে হবে। আর তাই পরবর্তীতে যেন কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়, এ জন্য লোন নিয়ে আলোচনার শুরুতেই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে বাড়তি চার্জ এর ব্যাপারে কথা বলে নিতে হবে।
সুদের হারের পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা নেয়া
লোনের আবেদন করার আগে অবশ্যই অন্যান্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুদের হারের পরিমাণ কত বা বর্তমানে উক্ত ব্যাংক গুলো কত শতাংশ সুদের হার অফার করছে, এ সম্পর্কে ধারণা নিয়ে, তবেই কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নেবেন সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। কেননা, সেরা রেটে লোন নেয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলোতে নির্দিষ্ট সে সময়ে সুদের হারের পরিমাণ কত রয়েছে, এক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত কোন নিয়ম থাকলে সে ব্যাপারেও জেনে নেয়া জরুরি। যেহেতু সুদের হার এর রেট পরিবর্তিত অবস্থায় থাকে, তাই হোম লোনের জন্য আবেদনের সময় কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান কী ধরনের রেট অফার করছে, তা যাচাই-বাছাই করে নেয়াই উত্তম।
যথাযথ রিসার্চ করে নেয়া জরুরি
লোন দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ভেদে নিয়মের তারতম্য দেখা দেয় হরহামেশাই। সুদের হারের পার্থক্য খুব বেশি না হলেও, বাড়তি অনেক ধরনের চার্জ থাকে, যা সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই হয়তো আগে থেকে ধারণা থাকে না। আর তাই লোনের জন্য আবেদন করার আগে বর্তমান সুদের হার, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর চার্জ এর পরিমাণ সহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয় সমূহ সম্পর্কে যথাযথ মার্কেট রিসার্চ করে নেয়া জরুরি। যদিও কাজটা কিছুটা ঝামেলাপূর্ণ, তবে যেহেতু বেশ বড় অংকের অর্থ নিয়ে ডিল করা হচ্ছে, তাই মার্কেট যাচাই-বাছাই করে নিলে আপনি নিজেই ভালো ধারণা পেতে পারবেন।
আর তাই হোম লোনের জন্য আবেদন করার আগে বাংলাদেশে হোম লোনের জন্য সেরা ব্যাংক সমূহ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন।
উপরে উল্লিখিত এ সকল বিষয় সমূহ যদি সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা না হয়, সেক্ষেত্রে আপনার হোম লোনের সুদের হার যেমন বাড়তে পারে, তেমনি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আর তাই এসকল বিষয়ে যেকোনো ধরনের ঝামেলা এড়াতে একজন এক্সপার্ট ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজারের পরামর্শ নেয়া অত্যন্ত জরুরি।
অর্থ ও বাণিজ্য
প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা
দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০ জানুয়ারী ২০২৬ শুরু হয়েছে একক আবাসন মেলা এবং পিঠা উৎসব। রাজধানীর গুলশান -১ কর্পোরেট অফিসে ৮ জানুয়ারী সকালে পিঠা উৎসবের শুভসুচনা করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল হুদা। কেক কেটে একক আবাসন মেলার যাত্রা শুরু করেন কোম্পানির ব্যবস্হাপনা পরিচালক রওশন আল মাহমুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক নাজনীন আখতার, উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম, হেড অব বিজনেস রেজাউল করিম মার্কেটিং বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সোহাগ খান ও সায়মন আরাফাত, মার্কেটিং বিভাগের গ্রুপ লিডার শিমুল সরকার ও মহিন ইসলাম সহ কোম্পানির সকল স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
মধ্যবৃত্তের আবাসন চাহিদা মেটানোর প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। ৪ টি চমৎকার আবাসন প্রকল্প প্রিমিয়াম টাউন,প্রিমিয়াম গার্ডেন, প্রিমিয়াম ভ্যালি ও প্রিমিয়াম রোজ ভ্যালি। আস্হা ও বিশ্বাসের সাথে এগিয়ে চলছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সবাই দেয় আসা কিন্তু আমরা দেই নিশ্চয়তা । তিনি বলেন,প্রিমিয়াম যেটা বলে সেটাই করে, গত দুই বছরে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেছেন প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড , যা বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার বড় নিদর্শন।
ইতিমধ্যে গ্রাহকদের প্রিয় হয়ে উঠেছে আমাদের প্রকল্পগুলো। প্রিমিয়াম টাউন থেকে ৫ কাঠার একটি প্লট নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক
কর্মকর্তা। সন্মানিত গ্রাহক বলেন এই প্রকল্প থেকে প্লট নেবার দুটো কারন চারপাশে সরকারি রাস্তা এবং ম্যানেজমেন্টের কমিটমেন্ট। শত শত গ্রাহকের আস্থা তৈরি করছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। বিশেষ করে,প্রবাসীদের কাছেও আস্হা অর্জন করেছে শতভাগ।
একক আবাসন মেলা সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত।
মেলা চলবে আগামী ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত।
অর্থ ও বাণিজ্য
দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট জগতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত: এক দশকেরও কম সময়ে কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মাত্র ৩৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির। নান্দনিক শহর দুবাইয়ের অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক আবাসন (রিয়েল এস্টেট) খাতে তিনি শুধু নিজের অবস্থানই তৈরি করেননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশটির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম এমজে প্রপার্টিজ (MJ Properties)।
এমজে প্রপার্টিজ আকিবের নেতৃত্বে অল্প সময়েই দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এক উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছে। এই সাফল্যের মূল কারণ হলো গ্রাহকদের প্রতি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে মেধাবী তরুণ-তরুণীদের একটি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের লক্ষ্য দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করা।
আকিবের অঙ্গীকার: “সততা ও ন্যায়ের মাধ্যমে এমজে প্রপার্টিজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেন এই প্রতিষ্ঠান দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারে।”
একসময় আকিবের স্বপ্ন ছিল স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েই তিনি এখন এমজে প্রপার্টিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Founder & CEO)। তার কর্মজীবনের শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে—হজ, ওমরাহ ও টিকেটিং-এর কাজের মাধ্যমে। সেখানেই সততা ও কঠোর পরিশ্রমের হাত ধরে একজন সফল উদ্যোক্তা ও প্রকল্প উদ্ভাবক হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে ওঠে।
উদ্যোক্তা হিসেবে আকিবের বিশেষ গুণ হলো *বিনিয়োগের সঠিক ক্ষেত্র নির্ধারণ* করে ক্লায়েন্টদের জন্য *সর্বোচ্চ মুনাফা ও নিরাপদ রিটার্ন* নিশ্চিত করা। তিনি দুবাইয়ের আধুনিক স্থাপত্য ও সমৃদ্ধ জীবনযাত্রার মান বজায় রেখে নির্মিত উন্নতমানের আবাসন প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগের জন্য ক্লায়েন্টদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
ব্যক্তিগত জীবনে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আকিবকে। ছাত্রাবস্থায়, ২০১৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের, বিশেষত মায়ের, দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নেন। ট্রাভেল এজেন্সিতে কর্মরত থাকাকালে করোনাকালীন সময়ে ব্যবসায়িক ধস নামলে উন্নত জীবনের আশায় তিনি দুবাই পাড়ি জমান।
বর্তমানে তিনি রিয়েল এস্টেট ছাড়াও আরো কিছু প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার পুরো পরিবার নিয়ে দুবাইতেই বসবাস করছেন। সততা, কঠোর পরিশ্রম আর স্বপ্ন পূরণের অদম্য স্পৃহা আকিব মুনিরকে আজ তরুণ প্রজন্মের কাছে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আকিবের বাবা ছিলেন খুলনার বিশিষ্ট সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং খুলনার সুপরিচিত একটি পত্রিকার সম্পাদক—এডভোকেট কামরুল মুনির। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন খুলনার শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের একজন। ২০১৪ সালে তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের ভার নেমে আসে তরুণ আকিবের কাঁধে।
বাবার মৃত্যুর শোক সামলেই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি দিয়ে। সেখানেই ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক জগতে তাঁর হাতেখড়ি।
তবে ভাগ্যের পরিক্রমায় আসে করোনাকালীন সংকট। বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক ধস নেমে আসে, বন্ধ হয়ে যায় ট্রাভেল খাতের কার্যক্রমও। জীবনের কঠিন সময়ে হাল না ছেড়ে আকিব নতুন করে স্বপ্ন দেখেন—উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ6 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
আইন-কানুন6 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
-
আবাসন সংবাদ6 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
