অর্থ ও বাণিজ্য
ভারতে আবাসন খাতে বিনিয়োগ করতে চায় আইএফসি
ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) ভারতের আবাসন খাতে ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায়। আইএফসি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি এ বিনিয়োগ এইউ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাংককে (এইউএসএফবি) ঋণ হিসেবে দেবে। এরা নন-ব্যাংকিং আর্থিক সংস্থা বাস্তু হাউজিং ফাইন্যান্সের শেয়ার কিনবে। খবর নিক্কেই এশিয়া।
এইউএসএফবি ভারতে বাড়ি কেনা বা নির্মাণের জন্য সাশ্রয়ী সুদে ঋণ দেয়। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এবং নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর গৃহনির্মাণ সামগ্রী ক্রয়ের জন্য একটি অংশ ঋণ হিসেবে দেয়া হবে।
সঞ্জয় আগরওয়াল প্রতিষ্ঠিত এইউএসএফবি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কোম্পানিটি ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিএসইতে (সাবেক বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ) তালিকাভুক্ত। গত সপ্তাহ পর্যন্ত কোম্পানির মূলধন ছিল ৫৯০ কোটি ডলার। এর আওতায় ২৫৮টি জেলায় ৭২৭টি লোকেশনে ৪৪ লাখের বেশি গ্রাহক রয়েছে।
আইএফসির এ বিনিয়োগ বাস্তু সংস্থাকে সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করবে। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির উল্লম্ফন ঘটবে। এটা সম্ভব হলে কভিড-১৯-পরবর্তী মন্দা থেকে কোম্পানিটি বের হয়ে আসবে।
একই সঙ্গে কোম্পানিটি এখন থেকে পরিবেশবান্ধব সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন খাতে সহজ শর্তে ঋণ দিতে পারবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র গৃহনির্মাণে সহায়তা করতে পারবে। একই সঙ্গে পরিবেশ, সমাজ ও জলবায়ু ঝুঁকি প্রশমনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
বাস্তুর সদর দপ্তর মুম্বাইতে। এ সংস্থা সাধারণত নিম্ন ও মধ্যম আয়ের উপার্জনকারীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন ঋণ দেয়। এটি জামানত হিসেবে সম্পত্তি ব্যবহার করে। মাইক্রো, স্মল ও মিডিয়াম আকারের উদ্যোগেও ঋণ দেয়। কোম্পানিটির ১৫টি রাজ্যে ১৮৯টি শাখা রয়েছে। এর পোর্টফোলিওর প্রায় ৪১ শতাংশ গ্রামীণ এলাকার প্রতিনিধিত্ব করে।
ভারতে সাশ্রয়ী মূল্য এবং পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইএফসির সুনাম রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সাল থেকে ভারতীয় হাউজিং ফাইন্যান্স কোম্পানি এবং ডেভেলপারদের মধ্যে ২৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে গত পাঁচ বছরেই বিনিয়োগ করেছে ১৪৯ কোটি ডলার। বিনিয়োগগুলো সাশ্রয়ী মূল্য এবং পরিবেশবান্ধব ক্ষুদ্র ঋণ দিতে ব্যবহার করা হয়েছে।
এছাড়া আইএফসি চেন্নাইভিত্তিক চোলামন্ডলাম ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ফাইন্যান্সে ১৫ কোটি ডলার ঋণ বিনিয়োগের প্রস্তাব করেছে। এ মাসের শুরুর দিকে ডিলস্ট্রিটএশিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএফসি ভারতীয় আবাসন ঋণ কোম্পানি এশিয়া ফাইন্যান্সারসকে ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত ঋণ বিনিয়োগের প্রস্তাব করেছে।
অর্থ ও বাণিজ্য
প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা
দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০ জানুয়ারী ২০২৬ শুরু হয়েছে একক আবাসন মেলা এবং পিঠা উৎসব। রাজধানীর গুলশান -১ কর্পোরেট অফিসে ৮ জানুয়ারী সকালে পিঠা উৎসবের শুভসুচনা করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল হুদা। কেক কেটে একক আবাসন মেলার যাত্রা শুরু করেন কোম্পানির ব্যবস্হাপনা পরিচালক রওশন আল মাহমুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক নাজনীন আখতার, উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম, হেড অব বিজনেস রেজাউল করিম মার্কেটিং বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সোহাগ খান ও সায়মন আরাফাত, মার্কেটিং বিভাগের গ্রুপ লিডার শিমুল সরকার ও মহিন ইসলাম সহ কোম্পানির সকল স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
মধ্যবৃত্তের আবাসন চাহিদা মেটানোর প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। ৪ টি চমৎকার আবাসন প্রকল্প প্রিমিয়াম টাউন,প্রিমিয়াম গার্ডেন, প্রিমিয়াম ভ্যালি ও প্রিমিয়াম রোজ ভ্যালি। আস্হা ও বিশ্বাসের সাথে এগিয়ে চলছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সবাই দেয় আসা কিন্তু আমরা দেই নিশ্চয়তা । তিনি বলেন,প্রিমিয়াম যেটা বলে সেটাই করে, গত দুই বছরে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেছেন প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড , যা বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার বড় নিদর্শন।
ইতিমধ্যে গ্রাহকদের প্রিয় হয়ে উঠেছে আমাদের প্রকল্পগুলো। প্রিমিয়াম টাউন থেকে ৫ কাঠার একটি প্লট নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক
কর্মকর্তা। সন্মানিত গ্রাহক বলেন এই প্রকল্প থেকে প্লট নেবার দুটো কারন চারপাশে সরকারি রাস্তা এবং ম্যানেজমেন্টের কমিটমেন্ট। শত শত গ্রাহকের আস্থা তৈরি করছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। বিশেষ করে,প্রবাসীদের কাছেও আস্হা অর্জন করেছে শতভাগ।
একক আবাসন মেলা সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত।
মেলা চলবে আগামী ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত।
অর্থ ও বাণিজ্য
দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট জগতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত: এক দশকেরও কম সময়ে কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মাত্র ৩৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির। নান্দনিক শহর দুবাইয়ের অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক আবাসন (রিয়েল এস্টেট) খাতে তিনি শুধু নিজের অবস্থানই তৈরি করেননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশটির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম এমজে প্রপার্টিজ (MJ Properties)।
এমজে প্রপার্টিজ আকিবের নেতৃত্বে অল্প সময়েই দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এক উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছে। এই সাফল্যের মূল কারণ হলো গ্রাহকদের প্রতি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে মেধাবী তরুণ-তরুণীদের একটি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের লক্ষ্য দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করা।
আকিবের অঙ্গীকার: “সততা ও ন্যায়ের মাধ্যমে এমজে প্রপার্টিজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেন এই প্রতিষ্ঠান দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারে।”
একসময় আকিবের স্বপ্ন ছিল স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েই তিনি এখন এমজে প্রপার্টিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Founder & CEO)। তার কর্মজীবনের শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে—হজ, ওমরাহ ও টিকেটিং-এর কাজের মাধ্যমে। সেখানেই সততা ও কঠোর পরিশ্রমের হাত ধরে একজন সফল উদ্যোক্তা ও প্রকল্প উদ্ভাবক হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে ওঠে।
উদ্যোক্তা হিসেবে আকিবের বিশেষ গুণ হলো *বিনিয়োগের সঠিক ক্ষেত্র নির্ধারণ* করে ক্লায়েন্টদের জন্য *সর্বোচ্চ মুনাফা ও নিরাপদ রিটার্ন* নিশ্চিত করা। তিনি দুবাইয়ের আধুনিক স্থাপত্য ও সমৃদ্ধ জীবনযাত্রার মান বজায় রেখে নির্মিত উন্নতমানের আবাসন প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগের জন্য ক্লায়েন্টদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
ব্যক্তিগত জীবনে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আকিবকে। ছাত্রাবস্থায়, ২০১৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের, বিশেষত মায়ের, দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নেন। ট্রাভেল এজেন্সিতে কর্মরত থাকাকালে করোনাকালীন সময়ে ব্যবসায়িক ধস নামলে উন্নত জীবনের আশায় তিনি দুবাই পাড়ি জমান।
বর্তমানে তিনি রিয়েল এস্টেট ছাড়াও আরো কিছু প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার পুরো পরিবার নিয়ে দুবাইতেই বসবাস করছেন। সততা, কঠোর পরিশ্রম আর স্বপ্ন পূরণের অদম্য স্পৃহা আকিব মুনিরকে আজ তরুণ প্রজন্মের কাছে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আকিবের বাবা ছিলেন খুলনার বিশিষ্ট সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং খুলনার সুপরিচিত একটি পত্রিকার সম্পাদক—এডভোকেট কামরুল মুনির। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন খুলনার শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের একজন। ২০১৪ সালে তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের ভার নেমে আসে তরুণ আকিবের কাঁধে।
বাবার মৃত্যুর শোক সামলেই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি দিয়ে। সেখানেই ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক জগতে তাঁর হাতেখড়ি।
তবে ভাগ্যের পরিক্রমায় আসে করোনাকালীন সংকট। বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক ধস নেমে আসে, বন্ধ হয়ে যায় ট্রাভেল খাতের কার্যক্রমও। জীবনের কঠিন সময়ে হাল না ছেড়ে আকিব নতুন করে স্বপ্ন দেখেন—উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ4 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন4 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
আবাসন সংবাদ4 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
