অর্থ ও বাণিজ্য
ইউরোপের শীর্ষ ধনীর মালিকানায় শতবর্ষী রেস্তোরাঁ
ফরাসি বিলাসপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এলভিএমএইচের পোর্টফোলিওতে যুক্ত হচ্ছে নতুন একটি নাম। প্যারিসের জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ সি লামি লুই কিনে নিয়েছে সংস্থাটি।
ইউরোপের শীর্ষ ধনী বেহনা আহনোঁর মালিকানাধীন কোম্পানি এলভিএমএইচ, যাকে বলা যায় বিলাসপণ্যের এক সাম্রাজ্য। এর অধীনে রয়েছে ডিজাইনার ফ্যাশন ব্র্যান্ড, অলংকার ও হোটেল পরিষেবা।
সম্প্রতি কনগ্লোমারেটটি এক বিবৃতিতে জানায়, মধ্য প্যারিসের শতবর্ষী রেস্তোরাঁ সি লামি লুইর বেশির ভাগ শেয়ার কিনে নিয়েছে এলভিএমএইচ। জনপ্রিয় এ রেস্টুরেন্টকে ‘নিখাদ ফরাসি রত্ন’ বলে অভিহিত করা হয়েছে বিবৃতিতে।
অবশ্য অংশীদারত্বের পরিমাণ ও এর মূল্য সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয়নি বেহনা আহনোঁর কোম্পানি। তারা বলছে, মালিকানায় পরিবর্তন এলেও সি লামি লুইর স্বতন্ত্রতা বজায় রেখে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এগিয়ে নেয়া হবে।
রোস্ট চিকেন, মচমচে ফ্রাই ও ঝলসানো শামুকসহ বিভিন্ন ধরনের খাবারের জন্য পরিচিত ক্ল্যাসিক এ বিস্ট্রো। এতে বিভিন্ন সময়ে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন বিল ক্লিনটন, মার্টিন স্করসিজ, ডেভিড ও ভিক্টোরিয়ার বেকহাম দম্পতিসহ পরিচিত মুখ। অবশ্য এ অতিথিদের আগমন গোপনীয়তা রক্ষা করেই হয়েছিল। তবে হলিউড অভিনেত্রী গিনেথ পালট্রোর লাইফস্টাইল কোম্পানি গুপের ওয়েবসাইটে এ রেস্তোরাঁর প্রশংসা রয়েছে।
১৯২৪ সালে চালু হওয়া সি লামি লুইকে প্রায়ই বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ বলে অভিহিত করা হয়। আবার কেউ কেউ সবচেয়ে বাজে রেস্তোরাঁ বলতেও ছাড়েন না। এতে ফরাসি ঐতিহ্য বজায় রেখে মাত্র ১৪টি টেবিলে খাবার পরিবেশন করা হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা শেফ আন্তোনিও মাগনিন ১৯৮৭ সালে মারা গেছেন।
কয়েক প্রজন্ম ধরে রেস্তোরাঁটি খাদ্য উপকরণের জন্য নিজস্ব উৎপাদকের পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। এলভিএমএইচ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেই সংস্কৃতির প্রতি তারা বিশ্বস্ত থাকবে।
চুক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, বেহনা আহনোঁ এ রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়েছেন। এ বিলিয়নেয়ার প্যারিসের সাংস্কৃতিক ‘পরিচয় ও অভিব্যক্তি’র সঙ্গে যুক্ত এমন প্রতিষ্ঠানগুলো সংরক্ষণের বিষয়ে বেশ আগ্রহী।
কয়েক বছর আগে ৮৫০ বছরের পুরনো নটর ডেম গির্জা আগুনে ধ্বংস হয়ে যায়। ওই সময় স্থাপনাটি পুনর্নির্মাণে এলভিএমএইচ ও বেহনা আহনোঁ ২২ কোটি ৬০ লাখ ডলার অনুদান দেন।
ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেস্ক অনুসারে, জেফ বেজোস ও ইলোন মাস্কের পর আনুমানিক ১৯ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ ধনী বেহনা আহনোঁ।
ডিওর ও লুই ভিতোঁর মতো ডিজাইনার ব্র্যান্ড রয়েছে এলভিএমএইচের ঝুলিতে। ২০১৯ সালে কোম্পানিটি হোটেল ও লাক্সারি রেল ও রিভার ক্রুজ পরিষেবা বেলমন্ড কিনে নেয়। ওই চুক্তির মূল্য ছিল ৩২০ কোটি ডলার। চলতি মাসের শুরুর দিকে এলভিএমএইচ জানিয়েছিল, বিলাসী রেল পরিষেবা ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসে কৌশলগত বিনিয়োগে অংশ নেবে তারা। সূত্র: সিএনএন।
অর্থ ও বাণিজ্য
প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা
দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০ জানুয়ারী ২০২৬ শুরু হয়েছে একক আবাসন মেলা এবং পিঠা উৎসব। রাজধানীর গুলশান -১ কর্পোরেট অফিসে ৮ জানুয়ারী সকালে পিঠা উৎসবের শুভসুচনা করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল হুদা। কেক কেটে একক আবাসন মেলার যাত্রা শুরু করেন কোম্পানির ব্যবস্হাপনা পরিচালক রওশন আল মাহমুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক নাজনীন আখতার, উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম, হেড অব বিজনেস রেজাউল করিম মার্কেটিং বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সোহাগ খান ও সায়মন আরাফাত, মার্কেটিং বিভাগের গ্রুপ লিডার শিমুল সরকার ও মহিন ইসলাম সহ কোম্পানির সকল স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
মধ্যবৃত্তের আবাসন চাহিদা মেটানোর প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। ৪ টি চমৎকার আবাসন প্রকল্প প্রিমিয়াম টাউন,প্রিমিয়াম গার্ডেন, প্রিমিয়াম ভ্যালি ও প্রিমিয়াম রোজ ভ্যালি। আস্হা ও বিশ্বাসের সাথে এগিয়ে চলছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সবাই দেয় আসা কিন্তু আমরা দেই নিশ্চয়তা । তিনি বলেন,প্রিমিয়াম যেটা বলে সেটাই করে, গত দুই বছরে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেছেন প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড , যা বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার বড় নিদর্শন।
ইতিমধ্যে গ্রাহকদের প্রিয় হয়ে উঠেছে আমাদের প্রকল্পগুলো। প্রিমিয়াম টাউন থেকে ৫ কাঠার একটি প্লট নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক
কর্মকর্তা। সন্মানিত গ্রাহক বলেন এই প্রকল্প থেকে প্লট নেবার দুটো কারন চারপাশে সরকারি রাস্তা এবং ম্যানেজমেন্টের কমিটমেন্ট। শত শত গ্রাহকের আস্থা তৈরি করছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। বিশেষ করে,প্রবাসীদের কাছেও আস্হা অর্জন করেছে শতভাগ।
একক আবাসন মেলা সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত।
মেলা চলবে আগামী ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত।
অর্থ ও বাণিজ্য
দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট জগতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত: এক দশকেরও কম সময়ে কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মাত্র ৩৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির। নান্দনিক শহর দুবাইয়ের অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক আবাসন (রিয়েল এস্টেট) খাতে তিনি শুধু নিজের অবস্থানই তৈরি করেননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশটির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম এমজে প্রপার্টিজ (MJ Properties)।
এমজে প্রপার্টিজ আকিবের নেতৃত্বে অল্প সময়েই দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এক উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছে। এই সাফল্যের মূল কারণ হলো গ্রাহকদের প্রতি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে মেধাবী তরুণ-তরুণীদের একটি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের লক্ষ্য দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করা।
আকিবের অঙ্গীকার: “সততা ও ন্যায়ের মাধ্যমে এমজে প্রপার্টিজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেন এই প্রতিষ্ঠান দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারে।”
একসময় আকিবের স্বপ্ন ছিল স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েই তিনি এখন এমজে প্রপার্টিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Founder & CEO)। তার কর্মজীবনের শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে—হজ, ওমরাহ ও টিকেটিং-এর কাজের মাধ্যমে। সেখানেই সততা ও কঠোর পরিশ্রমের হাত ধরে একজন সফল উদ্যোক্তা ও প্রকল্প উদ্ভাবক হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে ওঠে।
উদ্যোক্তা হিসেবে আকিবের বিশেষ গুণ হলো *বিনিয়োগের সঠিক ক্ষেত্র নির্ধারণ* করে ক্লায়েন্টদের জন্য *সর্বোচ্চ মুনাফা ও নিরাপদ রিটার্ন* নিশ্চিত করা। তিনি দুবাইয়ের আধুনিক স্থাপত্য ও সমৃদ্ধ জীবনযাত্রার মান বজায় রেখে নির্মিত উন্নতমানের আবাসন প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগের জন্য ক্লায়েন্টদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
ব্যক্তিগত জীবনে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আকিবকে। ছাত্রাবস্থায়, ২০১৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের, বিশেষত মায়ের, দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নেন। ট্রাভেল এজেন্সিতে কর্মরত থাকাকালে করোনাকালীন সময়ে ব্যবসায়িক ধস নামলে উন্নত জীবনের আশায় তিনি দুবাই পাড়ি জমান।
বর্তমানে তিনি রিয়েল এস্টেট ছাড়াও আরো কিছু প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার পুরো পরিবার নিয়ে দুবাইতেই বসবাস করছেন। সততা, কঠোর পরিশ্রম আর স্বপ্ন পূরণের অদম্য স্পৃহা আকিব মুনিরকে আজ তরুণ প্রজন্মের কাছে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আকিবের বাবা ছিলেন খুলনার বিশিষ্ট সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং খুলনার সুপরিচিত একটি পত্রিকার সম্পাদক—এডভোকেট কামরুল মুনির। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন খুলনার শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের একজন। ২০১৪ সালে তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের ভার নেমে আসে তরুণ আকিবের কাঁধে।
বাবার মৃত্যুর শোক সামলেই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি দিয়ে। সেখানেই ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক জগতে তাঁর হাতেখড়ি।
তবে ভাগ্যের পরিক্রমায় আসে করোনাকালীন সংকট। বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক ধস নেমে আসে, বন্ধ হয়ে যায় ট্রাভেল খাতের কার্যক্রমও। জীবনের কঠিন সময়ে হাল না ছেড়ে আকিব নতুন করে স্বপ্ন দেখেন—উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ4 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন4 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
আবাসন সংবাদ4 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
