Connect with us

আবাসন সংবাদ

নিরাপদ আবাসনের লক্ষ্যে ইনটেক প্রোপার্টিজ

বাংলাদেশের আবাসন খাতে দ্রুত অগ্রগতি সত্ত্বেও ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করা অনেক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের জন্য এখনো বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সময়মতো ফ্ল্যাট হস্তান্তর, মানসম্পন্ন নির্মাণ ও গ্রাহকের প্রতিশ্রুতি পূরণ—এসব ক্ষেত্রে ব্যর্থতার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান ভুক্তভোগীর তালিকায় যুক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

তবে এসবের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে ইনটেক প্রোপার্টিজ লিমিটেড । ব্যবসার শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফখরুল ইসলাম দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে এগিয়ে নিচ্ছেন ইনটেক প্রোপার্টিজকে, অবদান রাখছেন দেশের আবাসন খাতের সমৃদ্ধিতে। এম ফখরুল ইসলাম আবাসান খাতের চরম মন্দা অবস্থায়ও আস্থা ও নির্ভরতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে গেছেন। তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি আবাসনশিল্পে আস্থা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ক্রেতাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্ল্যাট হস্তান্তরের দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছেন। তাঁর প্রখর নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা ইনটেক প্রোপার্টিজকে দেশের অন্যতম শীর্ষ আবাসন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।

ইনটেক প্রোপার্টিজ লিমিটেড রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উন্নত অবকাঠামো এবং নাগরিক সুবিধাসংবলিত প্রকল্প পরিচালনা করছেছবি: বিজ্ঞপ্তি

২০১০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লোকেশনে সফলভাবে একাধিক আবাসিক প্রকল্প সম্পন্ন করেছে ইনটেক প্রোপার্টিজ। সময়মতো ফ্ল্যাট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে সহায়ক হয়েছে। দেশের এবং প্রবাসী ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ইনটেক প্রোপার্টিজ তাদের প্রকল্পগুলো উন্নত লোকেশনে পরিচালনা করছে। নানা সময়ে বিভিন্ন অফারের পাশাপাশি কিস্তিতে ফ্ল্যাট কেনার সুবিধাও দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আবাসন খাতে আস্থার সংকটকালে ইনটেক প্রোপার্টিজ লিমিটেড নির্দিষ্ট সময়ে গুণগত মান বজায় রেখে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করছে। রাজউকের বিধিমালা মেনে প্রকল্প তৈরি হওয়ায় ক্রেতারা নিরাপদে বিনিয়োগ করতে পারছেন, যা আস্থা পুনঃস্থাপন করছে।

ইনটেক প্রোপার্টিজ লিমিটেড রাজধানীর বসুন্ধরা, কুড়িল, মিরপুর ও কল্যাণপুরের মতো এলাকায় উন্নত অবকাঠামো এবং নাগরিক সুবিধাসংবলিত প্রকল্প পরিচালনা করছে। ইনটেক কৃষ্ণচূড়ার নীড় (বসুন্ধরা), ইনটেক মারিয়াম ভিলা (কুড়িল), ইনটেক স্বপ্নবিলাস (মিরপুর) এবং ইনটেক স্বপ্নচূড়া (দারুস সালাম) প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য প্রকল্প, যা ক্রেতাদের জন্য সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নির্মিত।

Advertisement
Continue Reading
Advertisement

আবাসন সংবাদ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।

জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

Advertisement

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।

Continue Reading

আবাসন সংবাদ

রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে রাজশাহীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান মিনু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন মিজানুর রহমান মিনুসহ ২৫ জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।

মঙ্গলবার বিকেলে পিআইডির আয়োজনে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরপরই আনন্দে ফেটে পড়েন সাধারণ জনতা। দলমত নির্বিশেষে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রাজশাহী থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করবেন।’

Advertisement

মন্ত্রী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মিনু ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও দখলদাররা যে দলেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবারও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা করার প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।’

মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়ে টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিনু। ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন। রাজশাহীতে বিএনপির রাজনীতিতে মিনুর অভিভাবকত্ব প্রায় আড়াই দশকের। যুবদল নেতা থাকাকালে মেয়র এবং পরবর্তীকালে দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনের পর সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ পান তিনি।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে (তৎকালীন রাজশাহী-১ আসন) এমরান আলী সরকার জয়ী হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

Advertisement
Continue Reading
Advertisement
Advertisement
আবাসন সংবাদ2 weeks ago

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও...

আবাসন সংবাদ2 weeks ago

রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক...

অর্থ ও বাণিজ্য2 months ago

প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা

দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০...

আবাসন সংবাদ2 months ago

৪ দিনব্যাপী আবাসন মেলা শুরু

রাজধানীতে চার দিনব্যাপী আবাসন মেলার আয়োজন করেছে রিয়েল এস্টেট হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গতকাল শুরু হওয়া এ মেলা চলবে...

আবাসন সংবাদ3 months ago

ভূমিকম্পে ঢাকার বড় বিপদ স্পষ্ট হচ্ছে

ভূমিকম্পে রাজধানী শহর ঢাকার বড় বিপদের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের নৈকট্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও প্রাণহানির ঝুঁকিকে বিবেচনায় নিয়ে...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত