Connect with us

আবাসন সংবাদ

‘ফার’ ইস্যুতে আবাসন ব্যবসায় স্থবিরতা

রাজউকের নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার (ড্যাপ) কারণে রাজধানীতে থমকে আছে নতুন ভবনের নকশা অনুমোদন। নতুন ড্যাপের নিয়মে সড়কের প্রশস্ততার ওপর ভিত্তি করে ভবনের উচ্চতা ও ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর বা ফার) নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ছোট রাস্তার পাশের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ প্রায় অসম্ভব বলে জানাচ্ছেন আবাসন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন নিয়মের কারণে জমির মালিকরা তাদের জমি ডেভেলপারদের দিতে আগ্রহ হারাবেন। তাদের বক্তব্য, ছোট রাস্তার কারণে ভবনে তলার সংখ্যা কমে গেলে ডেভেলপারদের সঙ্গে লাভজনক শেয়ার চুক্তি করা সম্ভব হবে না। এতে জমির মালিক যেমন প্রাপ্য ফ্ল্যাটের সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ছেন, তেমনি ডেভেলপাররাও বিনিয়োগের ঝুঁকিতে যেতে চাইছেন না।

ফ্ল্যাট সংখ্যা কমার আশঙ্কা
উদ্যোক্তাদের হিসাব অনুযায়ী, ৩ কাঠার প্লটে জনঘনত্ব ১ দশমিক ৭৭ হলে আগে যেখানে ১২টি ফ্ল্যাট করা যেত, সংশোধিত নিয়মে তা নেমে আসবে ছয়টিতে। ৫ কাঠার প্লটে আগে ১৪–১৬টি ফ্ল্যাট পাওয়া যেত, এখন হবে মাত্র ৯টি—এর মধ্যে বড় সাইজের সিঙ্গেল ইউনিট ২৪শ স্কয়ারফুট বা ডাবল ইউনিট ১২শ স্কয়ারফুট।

নতুন ড্যাপ সংশোধনীতে আগের মতোই বৈষম্য রয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, বসুন্ধরায় জনঘনত্ব ১ দশমিক ৯৮ ও আফতাবনগরে ১ দশমিক ৫৮, অথচ দুটোই পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা। বসুন্ধরায় ঘরবাড়ি বেশি হলেও জনঘনত্ব কমানো হয়নি, আর আফতাবনগরে বাড়ানো হয়নি।- বেসিক বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ

এ প্রসঙ্গে রিহ্যাব সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ বলেন, ‘এভাবে ফ্ল্যাট সংখ্যা কমে গেলে জমির মালিকরা ডেভেলপমেন্টে অনাগ্রহী হবেন না, কর্মসংস্থান কমবে এবং ফ্ল্যাটের দাম বাড়বে।’

Advertisement

এলাকাভিত্তিক এফএআর পরিবর্তন
সংশোধিত ড্যাপে ঢাকা শহরকে ৬৫টি জনঘনত্ব ব্লকে ভাগ করে নতুন এফএআর নির্ধারণ করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ এফএআর গুলশান-বনানীতে ৫ দশমিক ৫ এবং সর্বনিম্ন ১ দশমিক ৬। গুলশান-বনানীতে ফার বেড়েছে ১ দশমিক ৭ থেকে ২ দশমিক ০, ধানমন্ডিতে ১ দশমিক ৭ থেকে ২ দশমিক ১, রামপুরায় ১ দশমিক ৪ থেকে ২ দশমিক ৩, খিলক্ষেতে ১ দশমিক ২ থেকে ২ দশমিক ০—কিছু ক্ষেত্রে এলাকাভেদে আরও বেশি। তবে বারিধারায় ফার কমেছে ১ দশমিক ৮ থেকে ১ দশমিক ৭। বসুন্ধরায় ১ দশমিক ৯ থেকে ২ দশমিক ০, মিরপুরে ১ দশমিক ৭ থেকে ২ দশমিক ০।

বৈষম্যের অভিযোগ
উদ্যোক্তারা বলছেন, বসুন্ধরা ও আফতাবনগরের মতো পরিকল্পিত এলাকার মধ্যে অযৌক্তিক বৈষম্য রাখা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বসুন্ধরায় জনঘনত্ব ১ দশমিক ৯৮ আর আফতাবনগরে ১ দশমিক ৫৮, অথচ ঘর-বাড়ির ঘনত্ব ঠিক বিপরীত অনুপাতে। এছাড়া মেইন সিটিতে ১ দশমিক ৯৭, ১ দশমিক ৫৭, ১ দশমিক ৮৭ এর মতো ভিন্ন জনঘনত্ব নির্ধারণ করায় ৫ কাঠার প্লটে ফ্ল্যাট সংখ্যা আরও কমে যাচ্ছে।

ঢাকা শহরের প্রকৃত জমির মালিকরা ভবন নির্মাণ করতে পারছেন না। নতুন করে কোনো ভবন নির্মাণ করতে গেলেই জটিলতা তৈরি হচ্ছে, এ কারণে প্ল্যান পাস হচ্ছে না। একই পরিমাণ জমিতে আগে যেখানে ১০ তলা ভবন হতো, এখন ফার ইস্যুতে পাঁচতলা ভবন পাওয়া যাবে।- ভূমি মালিক সমিতির সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. দেওয়ান এম এ সাজ্জাদ

বেসিক বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ বলেন, ‘নতুন ড্যাপ সংশোধনীতে আগের মতোই বৈষম্য রয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, বসুন্ধরায় জনঘনত্ব ১ দশমিক ৯৮ ও আফতাবনগরে ১ দশমিক ৫৮, অথচ দুটোই পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা। বসুন্ধরায় ঘরবাড়ি বেশি হলেও জনঘনত্ব কমানো হয়নি, আর আফতাবনগরে বাড়ানো হয়নি।’

ফ্ল্যাটের দাম ও ক্রেতার নাগাল
উদ্যোক্তাদের মতে, বড় আকারের ফ্ল্যাট বাধ্যতামূলক করার ফলে নির্মাণ খরচ ও বাজারমূল্য উভয়ই বাড়বে। এতে মধ্যবিত্ত শ্রেণি ক্রমশ বাইরে চলে যাবে আবাসন বাজার থেকে। ধনী এলাকার (গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি) উচ্চ এফএআর ভবনগুলোকে আরও বড় করবে, তবে মধ্য ও নিম্নবিত্ত এলাকায় ভবন সংখ্যা ও ফ্ল্যাট কমবে।

Advertisement

বৈষম্যমূলক ড্যাপের কারণেই আবাসন সেক্টরে স্থবিরতা
সব মিলিয়ে ড্যাপ সংশোধন কেন্দ্র করে সরকারের নীতিনির্ধারক, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ ও আবাসন উদ্যোক্তাদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। একপক্ষের দাবি, এটি ঢাকার আবাসন সংকট সমাধানের পথে এক ধাপ; অন্যপক্ষের মতে, এতে ফ্ল্যাটের দাম নাগালের বাইরে যাবে এবং শহরের বাসযোগ্যতা আরও হুমকির মুখে পড়বে।

প্রকৌশলী ও নগরবিদদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি প্রকৌশলী ডদশমিক আবু সাঈদ এম আহমেদ ড্যাপ-২০২২–২০৩৫-কে ‘জনবৈরী, বৈষম্যপূর্ণ ও অকার্যকর’ আখ্যা দিয়ে বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তার মতে, এই পরিকল্পনা পুরোনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ, যা নির্মাণ খাতকে স্থবির করেছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান মনে করেন, ‘ফার কোথাও কমেনি, বরং বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের চাপেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা ঢাকার ঘনত্ব ও অবকাঠামোগত চাপ আরও বাড়াবে।’

আবাসন শিল্পের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে রড, সিমেন্টসহ দুই শতাধিক লিংকেজ শিল্প অর্থনীতির চাকা গতিশীল রেখেছে। ড্যাপের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই স্থবির হয়ে আছে আবাসন ব্যবসা। এটার সমাধান না হলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও বেকারত্ব বাড়বে।- রিহ্যাব সভাপতি ওয়াদিুজ্জামান

একাধিক রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ড্যাপের কারণে অনেক নকশা অনুমোদন আটকে আছে। নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে না, ফলে বাজারে নতুন ফ্ল্যাটের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। এ সুযোগে পুরোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ভবনগুলোর ফ্ল্যাট চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

জমির মালিক ও উদ্যোক্তারা বলছেন, ড্যাপের উদ্দেশ্য ছিল অবৈজ্ঞানিক ও অপরিকল্পিত ভবন নিয়ন্ত্রণ করা এবং জনবসতির চাপকে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে, যা সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

বেসিক বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ ও বৈষম্যমূলক ফারের (এফএআর) কারণে ঢাকা শহরের আবাসন উন্নয়ন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ড্যাপের কারণে নতুন প্রকল্প নেই, বাড়ছে ফ্ল্যাটের দাম এবং বাড়ি ভাড়া। এতে আবাসন খাত স্থবির হয়ে পড়ছে, লোকসানে পড়ছেন উদ্যোক্তাসহ ভাড়াটিয়া। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য ঢাকা মহানগর ইমারত বিধিমালা ২০০৮ অনুসারে ভবন নির্মাণ করা যেতে পারে।’

ভূমি মালিক সমিতির সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. দেওয়ান এম এ সাজ্জাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঢাকা শহরের প্রকৃত জমির মালিকরা ভবন নির্মাণ করতে পারছেন না। নতুন করে কোনো ভবন নির্মাণ করতে গেলেই জটিলতা তৈরি হচ্ছে, এ কারণে প্ল্যান পাস হচ্ছে না। একই পরিমাণ জমিতে আগে যেখানে ১০ তলা ভবন হতো, এখন ফার ইস্যুতে পাঁচতলা ভবন পাওয়া যাবে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাপক ক্ষতি ও চরম বৈষম্যের সম্মুখীন হতে হচ্ছে জমির মালিকদের। আমরা মনে করি এর মাধ্যমে প্রকৃত ভূমি মালিকদের ঢাকা শহরের বাইরে বের করে দেওয়ার সূক্ষ্ম পরিকল্পনা। আমরা ত্রুটিপূর্ণ ড্যাপ ও বৈষম্যমূলক ফার সংশোধনের দাবি জানাই সরকারের কাছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউকের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফার বা রাস্তার প্রস্থের ভিত্তিতে ভবন উচ্চতার সীমাবদ্ধতা নিয়ে জমির মালিকদের নানা আপত্তি এসেছে। তারা এসব আপত্তি যাচাই-বাছাই করে যৌক্তিক সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। সরকারও আন্তরিক, আশা করা যায় শিগগির এটার সমাধান আসবে।

Advertisement

খাতের সংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, ড্যাপ পুরোপুরি কার্যকর না হলে রাজধানীতে ভবন অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হবে। এতে ফ্ল্যাটের সরবরাহ ঘাটতি এবং চাহিদাজনিত মূল্যবৃদ্ধির চাপ চলতেই থাকবে। অন্যদিকে, ড্যাপ ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালার ফার সংক্রান্ত সমস্যায় কমেছে সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো প্রকল্পের গতি। এ কারণে সংশ্লিষ্ট লিংকেজ প্রায় দুই শতাধিক ইন্ডাস্ট্রিতে মারাত্মক স্থবিরতা বিরাজ করছে। কমেছে উৎপাদন, লোকসান কমাতে বাধ্য হচ্ছেন কর্মী ছাঁটাই করতে। এতে বেকারত্বের হার বাড়বে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে অর্থনীতি।

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব সভাপতি এবং জাপান গার্ডেন সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াদিুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মৌলিক চাহিদার অন্যতম নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করতে চান উদ্যোক্তারা। খাতের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শহরে সুন্দর ও নান্দনিক ভবন তৈরি হয়েছে। আবাসন শিল্পের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে রড, সিমেন্টসহ দুই শতাধিক লিংকেজ শিল্প অর্থনীতির চাকা গতিশীল রেখেছে। যেখানে প্রায় দুই কোটি লোক জড়িত আর জিডিপিতে প্রায় ১৫ শতাংশ অবদান রয়েছে এ খাতের। ড্যাপের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই স্থবির হয়ে আছে আবাসন ব্যবসা। এটার সমাধান না হলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও বেকারত্ব বাড়বে।’

ঢাকা সিটি ল্যান্ড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সমন্বয়ক প্রফেসর ড. দেওয়ান এম এ সাজ্জাদ ড্যাপ সংশোধন সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের সভায় ঢাকার ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অ্যাসোসিয়েশনকে পক্ষভুক্ত না করায় তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮-এর আলোকে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০২৫ ঘোষণার দাবি জানান। ড্যাপ সংশোধন-পরিমার্জন না করা হলে তীব্র আন্দোলনের কথা জানান তিনি।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ড্যাপ ও ইমারত বিধিমালা সংশোধনের জন্য এখন পর্যন্ত মোট ৩৭টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে উপদেষ্টা পর্যায়ে ৩টি, সচিব পর্যায়ে ৪টি, মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটির ১০টি এবং রাজউকের অংশীজনদের সঙ্গে ২০টি বৈঠক রয়েছে। এসব আলোচনার ভিত্তিতে শিগগির আসতে পারে চূড়ান্ত ঘোষণা।

Advertisement
Continue Reading
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

13 − 6 =
Powered by MathCaptcha

আবাসন সংবাদ

৪ দিনব্যাপী আবাসন মেলা শুরু

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

রাজধানীতে চার দিনব্যাপী আবাসন মেলার আয়োজন করেছে রিয়েল এস্টেট হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গতকাল শুরু হওয়া এ মেলা চলবে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এবারের রিহ্যাব মেলায় ২২০টি স্টল থাকছে। প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ক্রেতা দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে চার দিনব্যাপী আবাসন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, এ খাতে বর্তমানে কিছুটা মন্দা থাকলেও এটি স্থায়ী নয়, সুদিন অবশ্যই ফিরে আসবে।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, আজ যদি কোনো প্লট মালিককে নিজের টাকায় বাড়ি নির্মাণ করতে বলা হয়, তা হলে ঢাকা শহরে কয়টি ভবন আদৌ তৈরি হতোÑ তা ভাবনার বিষয়। ডেভেলপারদের বিষয়ে প্রচলিত ভুল ধারণার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকে মনে করেন ডেভেলপাররা শুধু নিজেদের ব্যবসার কথা ভাবেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ধারণা সঠিক নয়। হয়তো হাতে গোনা কয়েকজন ব্যতিক্রম থাকতে পারেন, তবে সবাই একটি সুন্দর, পরিকল্পিত ও নিয়মের মধ্যে গড়ে ওঠা শহরই চান।

রিয়াজুল ইসলাম আরও বলেন, লক্ষ্য শুধু ভবন নির্মাণ নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলা। গ্রিন বিল্ডিংয়ের ধারণা একদিনে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, তবে ধাপে ধাপে এ জায়গায় যেতে হবে। তিনি বলেন, যে শহর বা ভবনে ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারে না, সেই উন্নয়ন কোনো কাজে আসে না। এতে কিছু ব্যক্তি লাভবান হয়, কিন্তু দেশ বা সমাজের উপকার হয় না।

রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান সদস্য এবং ক্রেতাদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরিতে মেলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকৎ আলী ভুইয়া আবাসন খাতের বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ (এনএইচএ)-এর চেয়ারম্যান মোছা. ফেরদৌসী বেগম নিয়ম অনুযায়ী ভবন তৈরির কথা বলেন।

Advertisement

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রিহ্যাবের পরিচালক ও মেলা কমিটির কো-চেয়ারম্যান মিরাজ মোক্তাদির। অনুষ্ঠানে রিহ্যাবের ভাইস প্রসেডিন্টে-১ লায়ন এমএ আউয়াল (সাবেক এমপি), রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ এবং রিহ্যাব ফেয়ার কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাস, ভাইস প্রেসিডেন্ট-৩ ইঞ্জি. আব্দুল লতিফ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) আব্দুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট হাজি দেলোয়ার হোসেন, রিহ্যাব পরিচালক ও ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরুজ সরদার, রিহ্যাব পরিচালক ও প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ লাবিব বিল্লাহ্সহ রিহ্যাব পরিচালকবৃন্দ এবং অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ক্রেতা-দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। মেলায় দুই ধরনের টিকিট থাকছে। একটি সিঙ্গেল এন্ট্রি অপরটি মাল্টিপল এন্ট্রি। সিঙ্গেল টিকিটের প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা। আর মাল্টিপল এন্ট্রি টিকিটের প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা। মাল্টিপল এন্ট্রি টিকিট দিয়ে একজন দর্শনার্থী মেলার সময় পাঁচবার প্রবেশ করতে পারবেন। এন্ট্রি টিকিটের প্রাপ্ত সম্পূর্ণ অর্থ দুস্থদের সাহায্যার্থে ব্যয় করা হবে। এ বছর প্রতিদিন র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

Continue Reading

আবাসন সংবাদ

ভূমিকম্পে ঢাকার বড় বিপদ স্পষ্ট হচ্ছে

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

ভূমিকম্পে রাজধানী শহর ঢাকার বড় বিপদের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের নৈকট্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও প্রাণহানির ঝুঁকিকে বিবেচনায় নিয়ে এমন মত দিয়েছেন ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞরা।

গত শুক্র ও গতকাল শনিবার প্রায় ৩১ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশে চারটি ভূমিকম্পের ঘটনা এমন ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনেছে। এর মধ্যে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ভূপৃষ্ঠ থেকে উৎপত্তিস্থলের গভীরতা যত কম হবে, তত বেশি ঝাঁকুনি হবে। শুক্রবারের ভূকম্পনের তীব্রতা ছিল স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তীব্র ঝাঁকুনিতে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। এ ভূমিকম্পের ঘটনায় শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। আহত হন ৬ শতাধিক মানুষ।

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গতকাল সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার এবং সাড়ে সাত ঘণ্টার পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আরও একটি ভূমিকম্প হয়, রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩। এ ভূমিকম্প দুটোরই উৎপত্তি ছিল নরসিংদী। সন্ধ্যায় কাছাকাছি সময়ে আরও একটি ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল রাজধানীর বাড্ডা; যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭।

এসব মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পকে বড় ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এমন ভূমিকম্প ঢাকার ঝুঁকি কতটা স্পষ্ট করছে, তা বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিগত পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানেও উঠে এসেছে।

Advertisement

আবহাওয়া অধিদপ্তরের নথিভুক্ত ২০২১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২২ নভেম্বর পর্যন্ত ভূমিকম্পের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই সময়ে ৩৯টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে। এর মধ্যে ১১টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৮৬ কিলোমিটার এলাকার ভেতরে। অর্থাৎ ২৮ শতাংশের বেশি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার কাছে। এসব ভূমিকম্পের মাত্রা ৩ দশমিক ৩ থেকে ৫ দশমিক ৭। এর মধ্যে শুক্রবার নরসিংদীতে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাত্রার (৫ দশমিক ৬) ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে। বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, ঢাকার ১০০ থেকে ২৬৭ কিলোমিটারের মধ্যে বাকি ২৮টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল।

পাঁচ বছরে ১৮ জেলায় ভূমিকম্প হয়েছে। জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, সিলেট, নেত্রকোনা, দিনাজপুর, হবিগঞ্জ, রংপুর, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, পাবনা, হবিগঞ্জ, রাঙামাটি, চুয়াডাঙ্গা, শরীয়তপুর, যশোর ও কুড়িগ্রাম।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রে একসময় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন মো. মমিনুল ইসলাম। এখন তিনি আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক। গতকাল তিনি প্রথম আলোকে বলেন, নরসিংদীতে এর আগেও ভূমিকম্প হয়েছে। তবে মাত্রা ছিল কম। বাংলাদেশের সীমান্তে তিনটি টেকটনিক প্লেট আছে। এই তিনটি প্লেটই সক্রিয়। প্রতিনিয়ত এখানে ছোট ছোট ভূমিকম্প হচ্ছে। প্লেট বাউন্ডারির পাশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা থাকে।

মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, নরসিংদীতে একটি সাব-ফল্ট রয়েছে। নরসিংদীতে আগে ছোট ভূমিকম্প হলেও গুরুত্ব দেওয়া হতো না। এখন বোঝা যাচ্ছে, এই সাব-ফল্ট অনেক বড়। এটা ঢাকার কাছ পর্যন্ত চলে এসেছে। এই ভূমিকম্প প্রমাণ করল ঢাকা বড় ঝুঁকির মধ্যে।

বেশি ভূমিকম্প রাতে
গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে হওয়া ৩৯টি ভূমিকম্প কোন সময় হয়েছে, সেটিও আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশ্লেষণে এসেছে। এতে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ভূমিকম্প হয়েছে রাতে। যেমন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সময়ে ভূমিকম্প হয়েছে ২৩টি। বাকি ১৬টি ভূমিকম্প হয়েছে দিনের বেলায় (ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা)।

Advertisement

রাতে বেশির ভাগ মানুষ ঘুমিয়ে অথবা বাসায় থাকে। এমন সময়ে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা বেশি থাকে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, যে পরিমাণ ভূমিকম্পের শক্তি সাবডাকশন জোনে (দুটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থল) পুঞ্জীভূত হয়ে আছে, তার ১ শতাংশের কম নির্গত হয়েছে। ফলে বারবার হওয়া এই ভূকম্পগুলো বড় একটি ভূমিকম্পের পথ খুলে দিয়েছে।

অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার আরও বলেন, শুক্রবারের ভূমিকম্পের পর ‘আফটার শক’ হবে, এমনটা আগেই ধারণা করা হয়েছিল। তবে আফটার শকগুলো গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ভূ-অভ্যন্তরের যে ফাটল বা ফল্ট লাইনটি এত দিন ধরে প্রচণ্ড চাপে একে অপরের সঙ্গে আটকে ছিল, তা নড়তে শুরু করেছে এবং শক্তি নির্গমনের একটি প্রক্রিয়া চালু করেছে। এমন আফটার শক হতে হতে বড় ভূমিকম্প হবে। সেটা খুবই নিকটে হতে পারে।

ঝুঁকির চার কারণ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক রাকিব হাসান চারটি কারণে ঢাকার বিপদটা স্পষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, উৎপত্তিস্থল থেকে ঢাকার নৈকট্য একটা কারণ। ঢাকার কাছে এ ফল্টটা সম্পর্কে এত স্পষ্ট ধারণা ছিল না। সেটা এখন খুলতে শুরু করেছে। যার প্রভাবে সামনে আরও ভূমিকম্প হতে পারে।

মাটির গঠনকে দ্বিতীয় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে রাকিব হাসান বলেন, ঢাকার নতুন অংশগুলো খুব নিচু জায়গায় মাটি ভরাট করে গড়ে উঠেছে। এমন অঞ্চলে ভূমিকম্পের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তৃতীয়ত, ঢাকার ভবনগুলো ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ডিজাইন কোড মেনে হচ্ছে না। চার নম্বর হলো ঢাকা শহরের জনঘনত্ব। এ কারণে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে।

Advertisement

প্রস্তুতি কেমন
২০১৬ সালে ভূমিকম্পের প্রভাবে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলার অংশ হিসেবে ন্যাশনাল অপারেশন সেন্টার নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি হলেও গত এক দশকে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ সেন্টার নির্মাণে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় জায়গাও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্ম সচিব আবু দাউদ মো. গোলাম মোস্তফা প্রথম আলোকে বলেন, তেজগাঁওয়ে এক একর জায়গা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভবন নির্মাণ করতে গেলে নির্মাণসামগ্রী রাখার জন্য কমপক্ষে আরও ২৫ বর্গমিটার জায়গা থাকা দরকার। সেটা পাওয়া যায়নি।

দুর্যোগের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান বলেন, ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগের জন্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হচ্ছে। বড় দুর্যোগের ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসকে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন সংস্থার জন্য আরও সরঞ্জাম সংগ্রহের কাজ চলমান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্রুততার সঙ্গে আমরা সে সংগ্রহ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা উপকূলে আমাদের ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক আছেন। নগরে আছে ৪৮ হাজার। তাঁদের যুক্ত করে মানুষকে ভূমিকম্প নিয়ে সচেতন করার কাজ শুরু করব।’

তবে প্রস্তুতি ও করণীয় দিকগুলো যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন দুর্যোগ ফোরামের সদস্যসচিব গওহর নঈম ওয়ারা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল দুর্যোগ মন্ত্রণালয় জেলা পর্যায়ে চিঠি দিয়েছে দুর্যোগের তথ্য দেওয়ার জন্য। এ ধরনের দুর্যোগে এমনিতে তথ্য আসার কথা। সেটার জন্য চিঠি দিতে হবে কেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নরসিংদীর দুর্যোগের তথ্য আসতে লেগেছে এক দিনের বেশি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারের জায়গা নেই জানিয়ে গওহর নঈম ওয়ারা বলেন, যে দেশগুলো স্থানীয় সরকারকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় অন্তর্ভুক্ত করেছে, তারা দুর্যোগ মোকাবিলায় এগিয়ে আছে। দুর্যোগ নিয়ে সচেতনতার বিষয়টি পাঠ্যসূচিতে থাকতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন ছাত্রাবাস থেকে ছাত্ররা লাফিয়ে পড়েছে। এ রকম কেন হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব চর্চা করায় না। এটা স্কুল থেকে শেখাতে হবে।

Advertisement
Continue Reading
Advertisement
Advertisement
অর্থ ও বাণিজ্য6 days ago

প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা

দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০...

আবাসন সংবাদ3 weeks ago

৪ দিনব্যাপী আবাসন মেলা শুরু

রাজধানীতে চার দিনব্যাপী আবাসন মেলার আয়োজন করেছে রিয়েল এস্টেট হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গতকাল শুরু হওয়া এ মেলা চলবে...

আবাসন সংবাদ2 months ago

ভূমিকম্পে ঢাকার বড় বিপদ স্পষ্ট হচ্ছে

ভূমিকম্পে রাজধানী শহর ঢাকার বড় বিপদের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের নৈকট্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও প্রাণহানির ঝুঁকিকে বিবেচনায় নিয়ে...

প্রধান প্রতিবেদন2 months ago

আমরা কি জেনেবুঝে বিপর্যয় ডেকে আনছি

ঢাকার মাটির নিচে যে ভূতাত্ত্বিক শক্তি সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে, তার সামান্যতম বিচ্যুতিতেও এই মহানগরী এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে। এই...

আবাসন সংবাদ2 months ago

ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি পরিস্থিতি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ দিন বন্ধ ঘোষণা

ভূমিকম্প–পরবর্তী উদ্ভূত জরুরি পরিস্থিতিতে আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল রোববার বিকেল পাঁচটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত