Connect with us

নির্বাচিত প্রতিবেদন

‘বর্তমানে আবাসন খাত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে’

‘বর্তমানে আবাসন খাত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে’

নানান কারণে বেশ কয়েক বছর ধরেই টালমাটাল আবাসন খাত। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এ খাতকে আরও উসকে দিয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নির্মাণ খাতের উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি। সবমিলিয়ে এরই মধ্যে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্টের দাম বেড়ে চলে গেছে মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে।

এ অবস্থায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের আগে সরকারের কাছে বেশকিছু প্রস্তাব দেন আবাসন খাতসংশ্লিষ্টরা। তবে বাজেটে সেসব দাবি ফিকে হয়েছে বলে মনে করছেন তারা। যদিও বিনাপ্রশ্নে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ আবাসন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তবে এ খাতের নানান উপকরণের ওপর বাড়তি শুল্ক মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবেই দেখছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্মাণ খাতের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ইটের ওপর বেড়েছে কর, শুল্ক বসেছে প্রি-ফেব্রিকেটেড বিল্ডিং তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের পণ্যে। ভ্যাট বেড়েছে জেনারেটর ও এসিতে। আবাসন ব্যবসায়ীদের মূল দাবি ভ্যাট-ট্যাক্স, রেজিস্ট্রেশন খরচের বিষয়েও কোনো আশার বাণী নেই নতুন অর্থবছরের বাজেটে।

আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে আর্থিক খাত সংস্কারের বলিষ্ঠ কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। ডলারের উচ্চমূল্য, রিজার্ভের পতন প্রভাব ফেলেছে সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে। এছাড়া ব্যাংকখাতে দুর্দশার কারণে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা আগের মতো ব্যাংক থেকে ঋণের সুযোগ পাচ্ছেন না। ফলে এ খাতের ব্যবসায়ীদের চলতে হচ্ছে নিজের পায়ে ভর করে। সবমিলিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে আবাসন খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান।

আসন্ন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজেটে প্রি-ফেব্রিকেটেড বিল্ডিং তৈরিতে ব্যবহৃত পণ্যের ওপরে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। নির্মাণ খাতের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ইটের ওপর করহার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে বাড়বে ইটের দাম। এসবের প্রভাব পড়বে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ ব্যয়ে। তবে চূড়ান্তভাবে বাড়তি ব্যয়ের বোঝা বহন করতে হবে ক্রেতাকেই। এতে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি কমবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

Advertisement

প্রস্তাবিত বাজেটে আর্থিক খাত সংস্কারের বলিষ্ঠ কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। ডলারের উচ্চমূল্য, রিজার্ভের পতন প্রভাব ফেলেছে সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে। এছাড়া ব্যাংকখাতে দুর্দশার কারণে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা আগের মতো ব্যাংক থেকে ঋণের সুযোগ পাচ্ছেন না।

ব্রিক ওয়ার্কস লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, ‘আবাসন খাতের সংকটের মধ্যেও নির্মাণ উপকরণের দাম কমার পরিবর্তে আরও বাড়ছে। আবার নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ভবনের উচ্চতা ও আয়তন কমবে। ফলে কমবে ফ্ল্যাটের সংখ্যা। ব্যবসায়ীরা আবাসন খাতে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবেন। এরই মধ্যে কমছে বিনিয়োগ। বর্তমানে আবাসন খাত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এ খাত টেনে তোলার মতো নীতিসহায়তা প্রয়োজন ছিল বাজেটে, উল্টো শুল্ক-কর বসেছে। মধ্যবিত্তকে এখন ফ্ল্যাটের আশা ছেড়ে দিতে হবে, ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবেন ব্যবসায়ীরা।’

আবাসন ব্যবসায়ীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ জেনারেটরের ওপর এক শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় দেশের বাজারে বাড়বে জেনারেটরের দাম। এছাড়া এসির ওপর ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করায় এসির দামও বাড়বে।

আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা বলেন, ফ্ল্যাট ও প্লট ক্রয়ে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। এক্ষেত্রে সরকারের কোনো কর্তৃপক্ষ টাকার উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারবে না। বিষয়টি আবাসন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই একটি বিষয় ছাড়া বাজেটে আবাসন খাতের জন্য আর কোনো সুখবর নেই বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ এক বছরের জন্য দিলে হবে না। এটাকে অন্তত পাঁচ বছরের জন্য করা হলে ভালো ফলাফল আশা করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা বর্তমানে আবাসন খাত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এ খাত টেনে তুলতে বাজেটে নীতিসহায়তার খুবই প্রয়োজন।

Advertisement

এ বিষয়ে কথা হয় রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা বার বার বলে আসছি আবাসন খাতের রেজিস্ট্রেশন খরচ কমানোর জন্য। প্রস্তাবিত বাজেট পেশ হওয়ার আগেও আমাদের প্রস্তাব ছিল এটা। কারণ একটি ফ্ল্যাট নতুন ও পুরোনো অবস্থায় দুই ক্রেতার কাছে গেলেও একই পরিমাণ রেজিস্ট্রেশন খরচ। এতে ক্রেতা নিরুৎসাহিত হন, দাম কম দেখানোর প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বিষয়টি সমাধানের জন্য আবারও সরকারের কাছে সুপারিশ জানাচ্ছি।’

আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের বিষয়ে ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘কালো টাকা (বিনিয়োগের সুযোগ) এক বছরের জন্য দিলে হবে না। এটাকে অন্তত পাঁচ বছরের জন্য করা হলে ভালো ফলাফল আশা করা যায়। এক্ষেত্রে প্রথমবার ১৫ শতাংশ, পরের বছর থেকে বেশি হারে কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিলে আরও বিনিয়োগ আসবে। সবচেয়ে বড় কথা বর্তমানে আবাসন খাত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এ খাত টেনে তুলতে বাজেটে নীতিসহায়তার খুবই প্রয়োজন।’ সূত্র: জাগো নিউজ।

আবাসন সংবাদ

রিহ্যাবের আধুনিক ভবন নির্মাণে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল অফিসে রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির চেয়ারম্যান হাজী দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সিডিএ কর্তৃক প্রস্তাবিত মাস্টারপ্ল্যান সম্পর্কে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা প্রদান বিষয়ে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয়, চট্টগ্রাম মহানগরীতে সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা সম্বলিত সুপরিকল্পিত বিশ্বমানের আধুনিক ভবন নির্মাণে রিহ্যাব সদস্যবৃন্দ বদ্ধপরিকর। এ জন্য সিডিএসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সহযোগীতা কামনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান, রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির সদস্য সৈয়দ ইরফানুল আলম, নূর উদ্দীন আহাম্মদ, শারিস্থ বিনতে নূর, মোঃ মাঈনুল হাসান, রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিয়নের সিডিএ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উপদেষ্টা কমিটির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার এস. এম আবু সুফিয়ান, উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন, রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল সদস্যবৃন্দ এবং রিহ্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রকৌশলী ও স্থপতিবৃন্দ।

Continue Reading

নির্বাচিত প্রতিবেদন

আবাসন খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে

Published

on

By

আবাসন কনটেন্ট কাউন্সিলর

দেশের আবাসন খাতের অবস্থা বিভিন্ন কারণে কিছুটা নাজুক। এ খাতের স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির জন্য যে পরিবেশ দরকার, তা অনুপস্থিত। এর ওপর রাজনৈতিক অস্থিরতা বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে নির্বাচনের পর আবাসন খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে আমরা আশা করছি। কারণ তখন বড় অঙ্কের বিনিয়োগে মানুষের মনে দ্বিধা বা ঝুঁকি থাকবে না।

এই পরিস্থিতিতে আবাসন খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন আরবান ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার শেখ কামরুজ্জামান।

ডেভেলপারদের বর্তমান পরিস্থিতি : বর্তমানে বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডেভেলপাররা কিছুটা চাপের মধ্যে আছেন। পুঁজি ব্যবস্থাপনা বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। এর প্রধান কারণ-মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে না। পাশাপাশি, সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো ইতিবাচক প্রণোদনা নেই। কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগও কমে এসেছে। এছাড়া ব্যাংকিং সেক্টরে তারল্য সংকট ব্যাংকগুলো আবাসন খাতে বিনিয়োগে উৎসাহ পাচ্ছে না। এর ফলে ডেভেলপাররা মূলধন ব্যবস্থাপনার গুরুতর সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। রাজউকের কর্মকর্তাদের ভালো উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও সফটওয়্যারের ত্রুটি আবাসন খাতে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। এর ফলে দৈনন্দিন কাজে বিলম্ব হচ্ছে। যা পুরো খাতের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে।

নির্মাণ সামগ্রী উপকরণের দামের অস্থিরতা আবাসন খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

নতুন ড্যাপ : প্রস্তাবিত নতুন ড্যাপ (DAP) পাস হলে উন্নয়নের ক্ষেত্র বাড়বে। আগের ড্যাপ ডেভেলপার বা ক্রেতা কারোর জন্যই সুবিধাজনক ছিল না। নতুন ড্যাপ খুব সম্ভাবনাময়।

Advertisement

ফ্ল্যাট বিক্রির গতি : বর্তমানে ফ্ল্যাট বিক্রি কিছুটা ধীর গতিতে চলছে। অনেক ক্রেতা আশা করছেন ফ্ল্যাটের দাম আরও কমবে। আগামী তিন-চার মাসের আগে মন্দা কাটবে কিনা তা বলা কঠিন। তবে জাতীয় নির্বাচনের পর আবাসন খাত আবার স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে বলে আমরা আশাবাদী।

রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব : রাজনৈতিক অস্থিরতায় সবাই শঙ্কিত থাকে। এর ফলে ব্যাংক ঋণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, যা আবাসন খাতকেও প্রভাবিত করে। সাধারণত, যখন মানুষ অন্য দেশে অভিবাসী হয়, তখন তারা তাদের কিছু সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়, যা সেকেন্ডারি বাজারের বিকাশের জন্য ইতিবাচক। আমরা মনে করি না যে এটি আবাসন খাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি অর্থনীতির একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

রেজিস্ট্রেশন ফি’র প্রভাব : ফ্ল্যাট বিক্রির ওপর রেজিস্ট্রেশন ফি কমা বা বৃদ্ধি সাধারণত খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতাদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও ফ্ল্যাট কেনা বা বিক্রির প্রধান নিয়ামক নয়। তবে আমাদের দেশে রেজিস্ট্রেশন খরচ অন্য দেশের তুলনায় বেশি, যা আবাসন খাতের উন্নয়নের জন্য সহায়ক নয়। সরকার বড় আকারের অবকাঠামো উন্নয়নে মনোযোগ দিলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাশের এলাকায় আবাসন খাতের প্রসার ঘটবে।

আবাসন খাতকে উদ্যমপূর্ণ করার জন্য ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা : ব্যাংকের জন্য আবাসন খাত সাধারণত ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল হয়ে থাকে। তারা অন্যসব খাতে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহী, যদিও আবাসন একটি নিরাপদ বিনিয়োগ এবং এখানে আসল সম্পত্তি জামানত হিসাবে থাকে। ব্যাংকগুলোর কাছে দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের অভাব রয়েছে। এ কারণে তাদের সম্পদ-দায় ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়।

যৌথ উদ্যোগে উন্নয়ন :
আবাসন খাতের উন্নয়নে সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ডেভেলপারদের কাছে জমি সরবরাহ করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ডেভেলপার বাছাইয়ে সতর্ক থাকতে হবে। রাজউকের নকশা অনুমোদন ও অন্য সব প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করা যেতে পারে।

Advertisement
Continue Reading
Advertisement
Advertisement
আবাসন সংবাদ1 week ago

ভূমিকম্পে ঢাকার বড় বিপদ স্পষ্ট হচ্ছে

ভূমিকম্পে রাজধানী শহর ঢাকার বড় বিপদের ঝুঁকি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের নৈকট্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও প্রাণহানির ঝুঁকিকে বিবেচনায় নিয়ে...

প্রধান প্রতিবেদন1 week ago

আমরা কি জেনেবুঝে বিপর্যয় ডেকে আনছি

ঢাকার মাটির নিচে যে ভূতাত্ত্বিক শক্তি সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে, তার সামান্যতম বিচ্যুতিতেও এই মহানগরী এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে। এই...

আবাসন সংবাদ1 week ago

ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি পরিস্থিতি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ দিন বন্ধ ঘোষণা

ভূমিকম্প–পরবর্তী উদ্ভূত জরুরি পরিস্থিতিতে আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল রোববার বিকেল পাঁচটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের...

আবাসন সংবাদ1 week ago

ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের নেতৃত্বে আরিফুল-মোসলেহ উদ্দিন

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী পরিষদ (২০২৬–২০২৭) নির্বাচন ২০২৫ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। গত শুক্রবার (২১...

অর্থ ও বাণিজ্য1 month ago

দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট জগতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির

দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত: এক দশকেরও কম সময়ে কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে...

Advertisement

সর্বাধিক পঠিত