আবাসন সংবাদ
পুরান ঢাকা আবাসন মেলায় তিন প্রকল্প নিয়ে ভাইয়া হাউজিং
রাজধানীতে অবস্থানরত নগরবাসীকে রেডি প্লট ও ফ্র্যাট কেনার স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে এবং আগ্রহী ক্রেতাদের সহজে জমির প্লট খুঁজে পাওয়ার সুযোগ করে দিতে শুরু হলো ‘পুরান ঢাকা আবাসন মেলা ২০২৪’।
মেলায় তিনটি আবাসন প্রকল্পের রেডি প্লট ও কক্সবাজারে হোটেলের শেয়ার নিয়ে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে অংশগ্রহণ করছে ভাইয়া গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ভাইয়া হাউজিং লিমিটেড।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বাংলা ইভেন্ট ইন্টারন্যাশনালের আয়োজনে ঢাকার ওয়ারীর গ্র্যান্ড তাজ বুফে কনভেনশন সেন্টার এ কে ফেমাস টাওয়ার (আড়ং বিল্ডিং), ৪১ র্যাঙ্কিন স্ট্রিটের মিলনায়তনে এই মেলা শুরু হয়।
ফিতা কেটে মেলা উদ্বোধন করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ রায়হান কাওছার। এস সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলা ইভেন্ট ইন্টারন্যাশনাল সিইও মো. ইসলাম শেখ এবং অংশগ্রহণকারী আবাসন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।
ভাইয়া গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন যাবৎ ভাইয়া গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ভাইয়া হাউজিং লিমিটেড সুনামের সাথে আবাসন খাতে ব্যাবসায়িক সেবা প্রদান করে আসছে। ভাইয়া হাউজিংয়ের তিনটি আবাসন প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো, ‘পূর্বাচল টিউলিপ ভ্যালি’, ‘পূর্বাচল পাইন সিটি’ ও ‘বীরতারা সিটি’। রাজধানীতে বসবাসরত মানুষের ক্রয় ক্ষমতা, সাধ ও সাধ্যের কথা ভেবে এসব প্রকল্পে সুলভ মূল্যে স্বপ্নের প্লট পাওয়া যাচ্ছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, ঢাকা পূর্বাচল ৩০০ ফিটের কাঞ্চন ব্রিজ পার হয়ে ভুলতা-গাউসিয়া ব্রিজ থেকে মাত্র ২ মিনিটের দুরত্বে ভাইয়া গ্রপের ‘টিউলিপ ভ্যালি’ অবস্থিত। রাজউক পূর্বাচল নিউ টাউনের পাশে ঢাকা সিলেট ২০০ ফিট মহাসড়ক সংলগ্ন এশিয়ার বৃহত্তম জাপান বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনের (জাইকা) সাথেই গড়ে উঠেছে এই নান্দনিক ‘টিউলিপ ভ্যালি’ আবসন প্রকল্প। বিক্রির জন্য প্রস্তুতকৃত প্লট পাওয়া যাচ্ছে ৩, ৫ ও ১০ কাঠা পরিমাণে। আগ্রহী ক্রেতা জমি কিনে মূল্য পরিশোধের সাথে সাথে সাফ-কবলা দলিলসহ রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়ার রয়েছে উন্নত ও মানসম্মত ব্যবস্থা।
>>আরও পড়ুন: তিন প্রকল্প নিয়ে পুরান ঢাকা আবাসন মেলায় প্রিমিয়াম হোল্ডিংস
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আধুনিকভাবে জীবনযাপনের জন্য সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসহ শহরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির সৌন্দর্যের মাঝে স্নিগ্ধ ও নিরিবিলি, পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে দেশের স্বনামধন্য কোম্পানি ভাইয়া গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ভাইয়া হাউজিং লিমিটেডের আবাসন প্রকল্প ‘বীরতারা সিটি’। প্রকল্পটি ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে সংলগ্ন রিভারভিউ স্মার্ট সিটিটিতে রয়েছে আধুনিক নাগরিক জীবনের সব ধরনের উপকরণ। চারদিকে রয়েছে মানুষের বসবাস। রয়েছে উন্নত ও অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রকল্পের উভয়দিকে রয়েছে সরকারি প্রশস্ত রাস্তা। আগ্রহী ক্রেতা জমি কিনে মূল্য পরিশোধের সাথে সাথে সাফ-কবলা দলিলসহ রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়ার রয়েছে উন্নত ও মানসম্মত ব্যবস্থা।
>>আরও পড়ুন: পুরান ঢাকা আবাসন মেলা শুরু
বীরতারা সিটি ও পাইন সিটি নামের পরিবেশবান্ধব ও মনোমুগ্ধকর দুটি আবাসনে মূল্য পরিশোধের সাথে সাথে রেজিস্ট্রেশন সুবিধা দিচ্ছে ভাইয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। সাথে সাথে কোম্পানিটি দিচ্ছে সুলভ মূল্যে কিস্তিতে প্লট ক্রয়ের সুযোগ। পরিবেশবান্ধব প্রকল্প দুটি দেশের আবাসন খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, ভাইয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়নে অনবদ্য অবদান রেখে যাচ্ছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ভোগ্য পণ্য ব্যবসায় ভাইয়া গ্রুপ ছিল অগ্রদূত। তারই ধারাবাহিকতায় একের পর এক রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপন করে অসংখ্য বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এই ব্যবসায়িক গ্রুপটি। দেশের স্বনাম ধন্য ভাইয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানিটির ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে আবাসনখাতে উল্লেখযোগ্য হলো, রিয়েল অ্যাস্টেট বিজনেসে ভাইয়া হাউজিং লিমিটেড, হোটেল, রিসোর্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানী অন্যতম।
>>আরও পড়ুন: রাজধানীর মতিঝিলে কেডি প্রপার্টিসের ঈদ আবাসন মেলা শুরু ৮ জুন
ঢাকায় চাকরি করে টাকা জমিয়ে অনেকেই স্বপ্ন দেখছেন যাদুর নগরী ঢাকার আশপাশে কোথাও তিন বা পাঁচ কাঠা জমি কিনে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার। কিন্তু তারা জানেন না কোথায় গেলে, কোন রিয়েল এস্টেট কোম্পানির কাছে গেলে মিলবে সঠিক ও কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের সেই প্লটের সন্ধান। ‘পুরান ঢাকা আবাসন মেলা ২০২৪’-এ মিলবে সঠিক রিয়েল এস্টেট কোম্পানির সন্ধান।
মেলায় রাজধানীর রিয়েল এসস্টেট কোম্পানিগুলো তাদের প্রকল্পের রেডি প্লট ও ফ্র্যাট এবং রিসোর্ট ও ৫ তারকা হোটেল-এর শেয়ারের সাথে আগ্রহী ও স্বপ্নবাজ ক্রেতাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। সেসাথে আবাসন খাতের বিভিন্ন ব্যবসা নগরবাসীর সামনে তুলে ধরছে।
>>আরও পড়ুন: পুরান ঢাকা আবাসন মেলায় এসেন্ড গ্রুপের চার প্রকল্পে ৩০% মূল্য ছাড়
আয়োজকরা জানিয়েছে, তিন দিনব্যাপী ওয়ারী আবাসন মেলা ২০২৪-এ থাকছে ঢাকা , পূর্বাচল , কেরানীগঞ্জ , মাওয়া হাইওয়ে রোড এর বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির প্লট, ফ্ল্যাট, কমার্শিয়াল স্পেস এবং কক্সবাজার, কুয়াকাটা, গাজীপুরসহ বিভিন্ন পর্যটন এরিয়াতে বিভিন্ন রিসোর্ট ও ৫ তারকা হোটেল-এর শেয়ার অথবা মালিকানার সুযোগ।
মেলায় ছাড় ও অফারের বিষয়ে আয়োজকরা আরও জানিয়েছে, মেলায় বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে থাকছে ১০ থেকে ৩০% বিশেষ মূল্য ছাড় এবং বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় উপহার সামগ্রী।
মেলায় গোল্ড স্পন্সর-এইচ আর গ্রুপ, ওয়েল কেয়ার গ্রুপ, মারমেইড গ্রুপ, কো-স্পন্সর-প্রিমিয়াম হোল্ডিংস, শালবন ইকো রিসোর্টস এবং আই জি এল গ্রুপ, এম আই গ্রুপ সহ আরও অন্যান্য আবাসন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে।
মেলার ও প্রকল্পগুলোর যেকোনো বিষয়ে জানা যাবে এই 01404-441895, 01958524844 । ওয়েব সাইটে দেখা যাবে এই ঠিকানায়।
প্রতিদিন মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। বিনা মূল্যে মেলায় প্রবেশ করা যাবে। সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত। মেলা চলবে ৮ জুন, শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত।
আবাসন সংবাদ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।
জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।
আবাসন সংবাদ
রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে রাজশাহীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান মিনু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন মিজানুর রহমান মিনুসহ ২৫ জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।
মঙ্গলবার বিকেলে পিআইডির আয়োজনে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরপরই আনন্দে ফেটে পড়েন সাধারণ জনতা। দলমত নির্বিশেষে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রাজশাহী থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করবেন।’
মন্ত্রী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মিনু ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও দখলদাররা যে দলেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবারও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা করার প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।’
মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়ে টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিনু। ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন। রাজশাহীতে বিএনপির রাজনীতিতে মিনুর অভিভাবকত্ব প্রায় আড়াই দশকের। যুবদল নেতা থাকাকালে মেয়র এবং পরবর্তীকালে দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনের পর সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ পান তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে (তৎকালীন রাজশাহী-১ আসন) এমরান আলী সরকার জয়ী হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ5 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন5 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
-
আবাসন সংবাদ5 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
