আবাসন সংবাদ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জেমস প্রপার্টি ফেয়ারে সুলভ মূল্যে অ্যাপার্টমেন্ট ও ফ্ল্যাট কেনার সুযোগ
ক্ষণস্থায়ী জীবনে মানুষ কতই না স্বপ্ন দেখে থাকেন। কিছু মানুষ স্বপ্ন দেখেন রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটা পছন্দের নান্দনিক ও অত্যাধুনিক বিলাস বহুল অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট কিনে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে। আজীবন ভাড়াটিয়া হিসেবে অন্যের বাসায় থেকে বাড়ির মালিককে বছরের পর বছর লক্ষ লক্ষ টাকা না দিয়ে, সে টাকা দিয়ে পরিকল্পনা করে একটা স্বপ্নের ফ্ল্যাট কিনতে।
>> আরও পড়ুন: ভাইয়া হাউজিংয়ের বীরতারা সিটিতে মিলছে সুলভ মূল্যের রেডি প্লট
যারা এমন স্বপ্ন দেখছেন, ঢাকায় স্বপ্নের অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট কিনে স্থায়ীভাবে বসবাস করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য দেশের স্বনাম ধন্য জেমস গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান জেমস কনট্রাকশনস লিমিটেড দিচ্ছে সুখবর।
প্রতিষ্ঠানটি স্বপ্নবাজ ও আগ্রহী ক্রেতাদের সহজে স্বপ্নের অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট খুঁজে পাওয়ার সুযোগ করে দিতে রাজধানীর আবাসিক এলকা বসুন্ধরাতে আয়োজন করছে ৩ দিনের ‘জেমস প্রপার্টি ফেয়ার-২০২৪’।

ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় জেমস গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান রিয়েল এস্টেট কোম্পানি জেমস কনট্রাকশনস লিমিটেডের উদ্যোগে রাজধানীর বসুন্ধরার আবাসিক এলাকায় ব্লক আইয়ের ১৫এ নম্বর রোডের ৯৮৩ নম্বর প্লটের আরিয়ানা লফটসে এই একক আবাসন মেলা শুরু হবে। চলবে শনিবার (৬ জুলাই) পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে মেলা চলবে রাত ৭টা পর্যন্ত।
>> আরও পড়ুন: ৬০ লাখ টাকার ফ্ল্যাট মাত্র ৪০ লাখ টাকায়
>> আরও পড়ুন: সানফাই ফার্নিচারে ১০% ছাড়
>> আরও পড়ুন: রাজধানীর বারিধারায় একক আবাসন মেলা শুরু
>> আরও পড়ুন: পূর্বাচল বিল্ডার্স অ্যান্ড হাউজিং এক্সপোতে এসেন্ড গ্রুপের চার প্রকল্পে বিশেষ ছাড়
>>আরও পড়ুন: তিন দিনের মিরপুর আবাসন মেলা শুরু
>>আরও পড়ুন: ঢাকায় বাড়ি করতে চান, পূর্বাচলে প্রিমিয়াম টাউনে মিলছে সুলভ মূল্যের জমি
>>আরও পড়ুন: প্রিমিয়াম ভ্যালিতে সুলভ মূল্যে জমি কেনার সুযোগ
>> আরও পড়ুন: কাতারে তিন দিনের ট্রেড ফেয়ার শুরু, প্রিমিয়াম হোল্ডিংসের প্রকল্পে বিশেষ ছাড়
মেলার বিশেষ আকর্ষণ সম্পর্কে আয়োজকরা জানিয়েছেন, মেলায় জেমস কনট্রাকশনস লিমিটেডের যেকোনো প্রকল্পের অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট বুকিং দিলেই থাকছে ১০% মূল্য ছাড়।
মেলা প্রসঙ্গে জেমস কনট্রাকশনস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম কে আনোয়ার জানিয়েছেন, জেমস গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান রিয়েল এস্টেট কোম্পানি জেমস কনট্রাকশনস লিমিটেড একটি বিশ্বাস ও নির্ভিরযোগ্য ডেভেলপার কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের চাহিদার কথা বিবেচনা করে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আর সেগুলো হলো-কোয়ালিটি (গুণগত মান), কমিটমেন্ট (প্রতিশ্রুতি) ও সার্ভিস(সেবা)। দীর্ঘ দিন ধরে গ্রাহকের সন্তোষ্টি পূরণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ছবি: সংগৃহীত
জেমস কনট্রাকশনস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, জেমস কনট্রাকশনস লিমিটেডের সব প্রকল্পের অ্যাপার্টমেন্টগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, নান্দনিক ডিজাইন এবং সব ধরনের স্মার্ট নাগরিক জীবনযাপনের ব্যবস্থা সম্বলিত করে নির্মাণ করা হয়েছে। কোম্পানির বর্তমান প্রজেক্ট, চলমান ও আপকামিং প্রজেক্টসমূহ প্রত্যেকটির অ্যাপার্টমেন্ট ১ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৪০০ বর্গফুট করে নির্মাণ করা। সম্পূর্ণ প্রজেক্টগুলোর বেডরুম, ড্রয়িং রুম, ডায়নিং রুম, বারান্দা, কিচেন, বাথরুম সবগুলোতে রয়েছে অত্যাধুনিক ও নান্দনিকতার ছোঁয়া।
>> আরও পড়ুন: তিন প্রকল্প নিয়ে পূর্বাচল বিল্ডার্স অ্যান্ড হাউজিং এক্সপোতে ইউরো-বাংলা বিল্ডার্স অ্যান্ড টেকনোলজি
>> আরও পড়ুন: বিপুল ক্রেতা-দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে শেষ হলো তিন দিনের কাতার ট্রেড ফেয়ার
>>আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তদের আবাসন চাহিদা মেটাতে কাজ করছে প্রিমিয়ার হোল্ডিংস : রওশন আল মাহমুদ
>> আরও পড়ুন: ‘রিয়েল স্টার প্রোপার্টিজকে একটা ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই’
>> আরও পড়ুন: ‘সরকারের সুনজরে ফার্নিচার শিল্পখাতে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সম্ভব’
তাই, আগ্রহী ক্রেতারা চাইলে ‘জেমস প্রপার্টি ফেয়ার-২০২৪’ এ অংশগ্রহণ করে কাঙ্ক্ষিত অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাটের সমন্ধে বিস্তারিত জেনে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারবেন।
>> আরও পড়ুন: বিপুল ক্রেতা-দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে শেষ হলো তিন দিনের কাতার ট্রেড ফেয়ার
>>আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তদের আবাসন চাহিদা মেটাতে কাজ করছে প্রিমিয়ার হোল্ডিংস : রওশন আল মাহমুদ
>> আরও পড়ুন: ‘রিয়েল স্টার প্রোপার্টিজকে একটা ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই’
মেলার যেকোনো বিষয়ে জানা যাবে 𝟎𝟏𝟖𝟖𝟎-𝟎𝟖𝟖 𝟐𝟑𝟏 ও 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟒-𝟏𝟏𝟖 𝟐𝟎𝟎 এই মোবাইল নম্বরে। ওয়েবসাইটেও বিস্তারিত দেখা যাবে এই ঠিকানায়।ফেসবুকে বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন এই লিংকে।
আবাসন সংবাদ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলেন জাকারিয়া তাহের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের (সুমন)। তাকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাকারিয়া তাহের। তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে কুমিল্লা শহর ও নির্বাচনি এলাকা বরুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে।
জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে উপ-নির্বাচনে কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
জাকারিয়া তাহের বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা প্রয়াত একেএম আবু তাহের একই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরে উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাকারিয়া তাহের (সুমন)। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সম্পন্ন করা জাকারিয়া তাহের ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭টি। কুমিল্লা-৮ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন; যা প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়া তাহেরের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ ২৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭১ টাকার। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫৬০ টাকার।
আবাসন সংবাদ
রাসিক মেয়র থেকে ভূমি মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে রাজশাহীর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান মিনু পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন মিজানুর রহমান মিনুসহ ২৫ জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিনু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।
মঙ্গলবার বিকেলে পিআইডির আয়োজনে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। শপথের পরপরই আনন্দে ফেটে পড়েন সাধারণ জনতা। দলমত নির্বিশেষে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রাজশাহী থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করবেন।’
মন্ত্রী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মিনু ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও দখলদাররা যে দলেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাজশাহীকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবারও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা করার প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।’
মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়ে টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান মিনু। ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন। রাজশাহীতে বিএনপির রাজনীতিতে মিনুর অভিভাবকত্ব প্রায় আড়াই দশকের। যুবদল নেতা থাকাকালে মেয়র এবং পরবর্তীকালে দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনের পর সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ পান তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে (তৎকালীন রাজশাহী-১ আসন) এমরান আলী সরকার জয়ী হন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ5 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন5 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
-
আবাসন সংবাদ5 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
