অর্থ ও বাণিজ্য
সিলিকন ভ্যালিতে বিনিয়োগের বিশেষ উদ্যোগ আরব আমিরাতের
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের জন্য বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি। এখানে রয়েছে ডিজিটাল দুনিয়া শাসন করা অ্যাপল, গুগল, মেটা ও ভিসার মতো নামি কোম্পানির দপ্তর। ধারণা করা হয়, ক্যালিফোর্নিয়ার অঞ্চলটির আজকের উদ্ভাবন বদলে দেবে আগামী দিনের বিশ্ব।
এ কারণে সিলিকন ভ্যালিতে বিনিয়োগের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ-পরবর্তী দেশটির লক্ষ্যে আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেতে যাচ্ছে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাত।
একসময় জ্বালানি তেলনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে পরিচিতি থাকলেও এখন বৈচিত্র্যকরণ নীতির দিকে হাঁটছে ইউএই। এছাড়া নীতি সুবিধার কারণে দেশটিতে পুঞ্জীভূত হচ্ছে বিভিন্ন দেশের বৈধ-অবৈধ অর্থ। ব্যাপক সংস্কারের কারণে দুবাই, আবুধাবির মতো শহরে পৌঁছে গেছে সর্বশেষ প্রযুক্তির সুবিধা। দেশটি শুধু পরিষেবা সুবিধাই নিচ্ছে না, বড় অংকের বিনিয়োগ করেছে এসব খাতের নামি কোম্পানিগুলোয়।
আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ বলছে, সিলিকন ভ্যালির সংস্থাগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব প্রচেষ্টা তাদের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণ নীতির একটি অংশ। এর মাধ্যমে মার্কিন বাজারে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে চায় দেশটি এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে চায় ইউএই।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো ও সিলিকন ভ্যালিতে সফর করেছেন ইউএইর বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. থানি বিন আহমেদ আল জাইউদি। এ সফরের লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো। বিশেষ করে উন্নত প্রযুক্তি খাতে অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এতে গুরুত্ব পেয়েছে।
সফরে বাণিজ্য অংশীদার, নেতৃস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেন ড. থানি বিন আহমেদ। এ সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং ও জলবায়ু প্রযুক্তির মতো হালনাগাদ ক্ষেত্রগুলোয় ইউএইর সম্ভাব্য অংশীদারত্ব বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।
বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উন্নত প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং দেশটির বিনিয়োগবান্ধব ব্যবসায়িক পরিবেশের রূপরেখা তুলে ধরেন ড. থানি বিন আহমেদ। প্রস্তারিত রূপরেখায় মার্কিন বিনিয়োগকারী, স্টার্টআপ ও দক্ষ পেশাদারদের তাদের কাজের সুযোগ অন্বেষণ করার আমন্ত্রণও জানান তিনি। এ সময় দুই দেশের মধ্যে যৌথ প্রকল্প, গবেষণা সহযোগিতা এবং এআই, ডাটা অ্যানালিটিকস ও টেকসই প্রযুক্তির মতো হালনাগাদ বিষয় ও দক্ষতার আদান-প্রদানের ওপর আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ড. থানি বিন আহমেদ আল জাইউদি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল হলো প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বৈশ্বিক কেন্দ্রস্থল। সিলিকন ভ্যালির প্রাণবন্ত ইকোসিস্টেমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনেক কিছু অর্জন করতে হবে।’
তার মতে, এ সফর দুই দেশের সরকারি-বেসরকারি খাত এবং একাডেমিক উভয় স্তরে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে। এর মধ্যে পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবে দেশ দুটি। বিশেষ করে ইউএইর প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে গতিশীল করতে এ প্রচেষ্টা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ড. থানি বিন আহমেদ বলেন, ‘প্রযুক্তি হলো আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈচিত্র্যকরণ এজেন্ডার একটি মূল স্তম্ভ। বিশ্বের নেতৃস্থানীয় সূচকগুলোর সঙ্গে উৎপাদনশীল ও পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি অত্যাবশ্যক বিষয়।’
বাণিজ্যের দিক থেকে দেশ দুটির মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী ইউএইর তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরব আমিরাতের জ্বালানি তেলবহির্ভূত মোট বাণিজ্যের ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হয়ে থাকে। বিপরীত দিক থেকে বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হলো উপসাগরীয় দেশটি। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের আলোকে এ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তেলবহির্ভূত বাণিজ্যের ২৭ শতাংশ ইউএইর সঙ্গে হয়ে থাকে।
বিনিয়োগের পরিপ্রেক্ষিতেও দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের অংশীদারত্ব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৩ হাজার ৮১০ কোটি ডলারেরও বেশি। ২০২২ সালের এক পরিসংখ্যান অনুসারে, আরব দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা মোট বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) অর্ধেকেরও বেশির প্রতিনিধিত্ব করে এ অংক। এ বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন, ব্যবসায়িক পরিষেবা, সফটওয়্যার ও আইটি পরিষেবা, আবাসন, খাদ্য ও পানীয় এবং মহাকাশ বিজ্ঞানের মতো অগ্রসর খাত। সূত্র: অ্যারাবিয়ান বিজনেস।
অর্থ ও বাণিজ্য
প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা
দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০ জানুয়ারী ২০২৬ শুরু হয়েছে একক আবাসন মেলা এবং পিঠা উৎসব। রাজধানীর গুলশান -১ কর্পোরেট অফিসে ৮ জানুয়ারী সকালে পিঠা উৎসবের শুভসুচনা করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল হুদা। কেক কেটে একক আবাসন মেলার যাত্রা শুরু করেন কোম্পানির ব্যবস্হাপনা পরিচালক রওশন আল মাহমুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক নাজনীন আখতার, উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম, হেড অব বিজনেস রেজাউল করিম মার্কেটিং বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সোহাগ খান ও সায়মন আরাফাত, মার্কেটিং বিভাগের গ্রুপ লিডার শিমুল সরকার ও মহিন ইসলাম সহ কোম্পানির সকল স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
মধ্যবৃত্তের আবাসন চাহিদা মেটানোর প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। ৪ টি চমৎকার আবাসন প্রকল্প প্রিমিয়াম টাউন,প্রিমিয়াম গার্ডেন, প্রিমিয়াম ভ্যালি ও প্রিমিয়াম রোজ ভ্যালি। আস্হা ও বিশ্বাসের সাথে এগিয়ে চলছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সবাই দেয় আসা কিন্তু আমরা দেই নিশ্চয়তা । তিনি বলেন,প্রিমিয়াম যেটা বলে সেটাই করে, গত দুই বছরে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেছেন প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড , যা বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার বড় নিদর্শন।
ইতিমধ্যে গ্রাহকদের প্রিয় হয়ে উঠেছে আমাদের প্রকল্পগুলো। প্রিমিয়াম টাউন থেকে ৫ কাঠার একটি প্লট নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক
কর্মকর্তা। সন্মানিত গ্রাহক বলেন এই প্রকল্প থেকে প্লট নেবার দুটো কারন চারপাশে সরকারি রাস্তা এবং ম্যানেজমেন্টের কমিটমেন্ট। শত শত গ্রাহকের আস্থা তৈরি করছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। বিশেষ করে,প্রবাসীদের কাছেও আস্হা অর্জন করেছে শতভাগ।
একক আবাসন মেলা সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত।
মেলা চলবে আগামী ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত।
অর্থ ও বাণিজ্য
দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট জগতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত: এক দশকেরও কম সময়ে কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মাত্র ৩৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আকিব মুনির। নান্দনিক শহর দুবাইয়ের অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক আবাসন (রিয়েল এস্টেট) খাতে তিনি শুধু নিজের অবস্থানই তৈরি করেননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশটির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম এমজে প্রপার্টিজ (MJ Properties)।
এমজে প্রপার্টিজ আকিবের নেতৃত্বে অল্প সময়েই দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এক উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছে। এই সাফল্যের মূল কারণ হলো গ্রাহকদের প্রতি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে মেধাবী তরুণ-তরুণীদের একটি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের লক্ষ্য দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করা।
আকিবের অঙ্গীকার: “সততা ও ন্যায়ের মাধ্যমে এমজে প্রপার্টিজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেন এই প্রতিষ্ঠান দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারে।”
একসময় আকিবের স্বপ্ন ছিল স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েই তিনি এখন এমজে প্রপার্টিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Founder & CEO)। তার কর্মজীবনের শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে—হজ, ওমরাহ ও টিকেটিং-এর কাজের মাধ্যমে। সেখানেই সততা ও কঠোর পরিশ্রমের হাত ধরে একজন সফল উদ্যোক্তা ও প্রকল্প উদ্ভাবক হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে ওঠে।
উদ্যোক্তা হিসেবে আকিবের বিশেষ গুণ হলো *বিনিয়োগের সঠিক ক্ষেত্র নির্ধারণ* করে ক্লায়েন্টদের জন্য *সর্বোচ্চ মুনাফা ও নিরাপদ রিটার্ন* নিশ্চিত করা। তিনি দুবাইয়ের আধুনিক স্থাপত্য ও সমৃদ্ধ জীবনযাত্রার মান বজায় রেখে নির্মিত উন্নতমানের আবাসন প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগের জন্য ক্লায়েন্টদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
ব্যক্তিগত জীবনে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আকিবকে। ছাত্রাবস্থায়, ২০১৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের, বিশেষত মায়ের, দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নেন। ট্রাভেল এজেন্সিতে কর্মরত থাকাকালে করোনাকালীন সময়ে ব্যবসায়িক ধস নামলে উন্নত জীবনের আশায় তিনি দুবাই পাড়ি জমান।
বর্তমানে তিনি রিয়েল এস্টেট ছাড়াও আরো কিছু প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার পুরো পরিবার নিয়ে দুবাইতেই বসবাস করছেন। সততা, কঠোর পরিশ্রম আর স্বপ্ন পূরণের অদম্য স্পৃহা আকিব মুনিরকে আজ তরুণ প্রজন্মের কাছে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আকিবের বাবা ছিলেন খুলনার বিশিষ্ট সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং খুলনার সুপরিচিত একটি পত্রিকার সম্পাদক—এডভোকেট কামরুল মুনির। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন খুলনার শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের একজন। ২০১৪ সালে তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের ভার নেমে আসে তরুণ আকিবের কাঁধে।
বাবার মৃত্যুর শোক সামলেই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। শুরুটা ছিল একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি দিয়ে। সেখানেই ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক জগতে তাঁর হাতেখড়ি।
তবে ভাগ্যের পরিক্রমায় আসে করোনাকালীন সংকট। বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক ধস নেমে আসে, বন্ধ হয়ে যায় ট্রাভেল খাতের কার্যক্রমও। জীবনের কঠিন সময়ে হাল না ছেড়ে আকিব নতুন করে স্বপ্ন দেখেন—উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
-
বিবিধ2 years agoবাংলাদেশে প্রচলিত বাড়ি ভাড়ার চুক্তি, নিয়ম ও নীতিমালা
-
নির্বাচিত প্রতিবেদন2 years agoরিয়েল এস্টেট ব্যবসা করবেন যেভাবে
-
আবাসন সংবাদ4 months agoরাজউকের নির্দেশে নর্থ সাউথ গ্রীন সিটি বন্ধ
-
আইন-কানুন4 months agoদলিলে লেখা এসব শব্দের অর্থ জেনে রাখুন, নাহলে পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
আইন-কানুন2 years agoরিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের সাথে জমি বা ফ্ল্যাট নিয়ে সমস্যা ও তার প্রতিকার (১ম পর্ব)
-
আবাসন সংবাদ4 months agoসীমান্ত রিয়েল এস্টেট এর অনুমোদনহীন সীমান্ত সিটি ও সীমান্ত কান্ট্রি প্রকল্প
-
বিবিধ2 years agoফ্ল্যাট বা অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা
-
আবাসন ক্যারিয়ার2 years agoসিরামিক ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাহলে জানতে হবে যে বিষয়গুলো
